প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সজল কুমার মিস্ত্রী (৩২), পিতা- পরেশ চন্দ্র মিস্ত্রী, সাং- রাজারচর, থানা- কোতয়ালী মডেল, জেলা- বরিশাল বর্তমানে -বর্মন রোড, থানা- কাউনিয়া, জেলা- বরিশাল গত ১৭/০৪/২০২৫ ইং তারিখ সকাল অনুমান ০৭.১৫ ঘটিকায় নাজিরা পুলের সামনে হইতে অজ্ঞাতনামা রিক্সাযোগে ঢাকা যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হইয়া নথুল্লাবাদ বাসস্ট্যান্ডে আসিয়া তাড়াহুরো করে উক্ত রিক্সা হইতে নামিয়া চলে যায়। রিক্সা হইতে তারাহুরো করে নামার কারনে তাহার ব্যবহৃত কালো রংয়ের একটি ট্রাভেল ব্যাগ রিক্সায় ফেলে যায়। কিছুক্ষন পরে অনেক খোঁজাখুজি করে ব্যাগটি না পায়ে ক্ষতিগ্রস্ত সজল কুমার মিস্ত্রী থানায় একটি অভিযোগ করলে এসআই মোঃ রিয়াজুল ইসলামের নের্তৃত্বে এয়ারপোর্ট থানা পুলিশ অভিযোগের ভিত্তিতে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার ও সোর্সের মাধ্যমে একটানা ০৩ (তিন) দিন অভিযান পরিচালনা করে উক্ত অজ্ঞাতনামা রিক্সা শনাক্ত পরে রিক্সার চালক মোঃ রিপন ভুইয়া(৩৮) পিতা- মোঃ হেলাল ভূইয়া, সাং- রোকেয়াধীন সড়ক, সাহেবের পুকুরপাড়, মনির মিয়ার বাসার ভাড়াটিয়া, ০৪নং ওয়ার্ড, বিসিসি, থানা- কাউনিয়া, জেলা- বরিশালকে শনাক্ত করে। অতঃপর ইং ২১/০৪/২৫ তারিখ রাত ০১.৩০ ঘটিকায় রিক্সা চালক এর কাউনিয়া থানাধীন ভাড়াটিয়া বাসায় অভিযান করে রিক্সা চালকের হেফাজতে হতে হারিয়ে যাওয়া ট্রাভেল ব্যাগটি উদ্ধার করা হয়। উক্ত ব্যাগের মধ্যে থাকা নগদ ১,৭৪,০০০/- (এক লক্ষ চুয়াত্তর হাজার) টাকা, ৯.৬৩ (প্রায় ০১ কেজি) গ্রাম রুপার নুপুর, একটি এন্ড্রোয়েট মোবাইল ফোন ও এক গুচ্ছ লাকারের চাবি পাওয়া যায়। প্রাপ্ত মালামাল অভিযোগকারী সজল কুমার মিস্ত্রীকে দেখালে তিনি মালামাল দেখিয়া ও গণনা করে তার মালামাল বলে শনাক্ত করে এবং সকল মালামাল সঠিক আছে বলে জানায়। রিক্সা চালক রিপন ভুইয়াকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি জানান যে, যাত্রীকে নামানোর পরে রিক্সায় রেখে যাওয়া ব্যাগটি পেয়ে তার বাসায় হেফাজতে রাখেন। এয়ারপোর্ট থানা পুলিশের তৎপরতায় ব্যাগটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি তার হারিয়ে যাওয়া অর্থ এবং রৌপ্য ফিরে পেয়ে এয়ারপোর্ট থানা পুলিশের প্রতি খুবই সন্তুষ্ট এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছে।