মোঃ রিয়াজুর রহমান পটুয়াখালী প্রতিনিধি: সদর উপজেলাধীন বদরপুর ইউনিয়ন মিঠাপুর ৮ নং ওয়ার্ড এর বাসিন্দা মৃত্যু গনি মৃধার ছেলে আব্দুল মালেক মৃধা (৬০)মাদক ব্যবসায় প্রতিবাদ করায়
ওই এলাকার বাসিন্দা মোঃ সোহেল হাওলাদার (৩৫),রাকিব হাওলাদার (২৩),লাল মিয়া হাওলাদার ও ইছা হাওলাদার এর বিরুদ্ধে মারধর ও পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে ৷ ভুক্তভোগী পরিবার ইমরুল ইসলাম,কলি বেগম ও আহত (ব্যবসায়ী) আব্দুল মালেক মৃধা গণমাধ্যমকে ভিডিও দেওয়া বক্তব্যে জানায় ১(জুলাই) বুধবার সকাল ১০ ঘটিকায় খলিশাখালি ব্রিজের নিচে আমার নিজ দোকান বন্ধ করে বাড়ির উদ্দেশ্যে চলে যাই ৷ কিছু সময় পরে ঢাকা থেকে আমার মজুতদারি ব্যবসায়ীর ফোন এলে পটুয়াখালী বিমানবন্দরের পশ্চিম পাশে আমার ডাল গুদামজাত প্রতিষ্ঠানে উদ্দেশ্যে রওনা হই ৷টেংরাখালি দরবার শরীফ নামক স্থানে সকাল ১১ টা ২০ মিনিটে পৌঁছলে পরিকল্পিতভাবে কয়েকজন যুবক আমাকে অতর্কিত আক্রমণ ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আমার মাথায় আঘাত করে হত্যার চেষ্টা চালায় ৷
ঘটনাস্থলে আমাকে ৪-৫ জনে ধরে টেনে হেঁচড়ে লাথি মারে এক পর্যায়ে আমার লুঙ্গি খুলে পড়লে আমি মাটিতে লুটিয়ে পড়ি
বাম কোমরে লুঙ্গিতে থাকা মুছরানো ৩লক্ষ টাকা জোরপূর্বক ছিনিয়ে নিয়ে যায় ৷
হামলার শিকার ওই ব্যক্তি ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট পটুয়াখালী সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে ৷
ভুক্তভোগী সোহেল হাওলাদার মুঠোফোনে জানায় আমার সাথে তার কোন পূর্ব শত্রুতা নেই তবে মুদি দোকানের বকেয়া টাকা পাবে সেই টাকা হালকা থাকায় আমার চাচা রুবেল আমার অনুপস্থিতিতে পরিশোধ করেছে কিন্তু টাকা পাওয়ার পরেও অস্বীকার পায় এবং এলাকায় আমাদের সম্পর্কে যাচাই-বাছাই করে দেখবেন আমরা মাদক ব্যবসার সাথে সম্পৃক্ত নেই ৷এ বিষয়ে পটুয়াখালী সদর থানার এএসআই সাইফুল ইসলাম এর ০১৭২০০৭৩৭৩৬ নাম্বার মুঠোফোনে জানায় খবর পেয়ে সদর হাসপাতালে উপস্থিত হই এবং আমরা জানতে পারি ওই এলাকায় মাদক ব্যবসা কে কেন্দ্র করে মারামারি হয়েছে তবে আমরা এখনো কোনো অভিযোগ পাইনি থানায় এসে অভিযোগ দিলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে