বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ০৭:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
গোপালগঞ্জে আবারও মহাসড়কে রক্তাক্ত দুর্ঘটনা: গ্রীন লাইন বাস-অজ্ঞাত ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে অন্তত ২৫ জন আহত। পটুয়াখালী জেলার বাউফল থানার ডাকাতি মামলার দীর্ঘদিনের পলাতক অভিযুক্ত ডাকাত সরদার বাচ্চু গ্রেফতার মাদারীপুরের শিবচর থানার চাঞ্চল্যকর আলতাফ হত্যা মামলার এজাহারনামীয় ০১ নং অভিযুক্ত বারেক মাদবর গ্রেফতার বাকেরগঞ্জ থানার চাঞ্চল্যকর আব্দুল হালিম হত্যা মামলার এজাহারনামীয় অভিযুক্ত মনসুর ডাকুয়া গ্রেফতার বরিশাল সিভিল সার্জনের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন-মুলধারার সাংবাদিকদের ছাড়াই প্রেস কনফারেন্স সুখচর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ঘিরে আলোচনা; মোঃ সালাউদ্দিনকে নিয়ে স্থানীয়দের আগ্রহ ভুয়া ঠিকানায় চাকরি, নিয়োগ-বদলি বাণিজ্যের অভিযোগে আলোচনায় কারারক্ষী সুজন মিয়া—নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি সিডিএ কার্যালয়ের সামনের ফুটপাত দখলমুক্ত, কঠোর বার্তা চেয়ারম্যানের সিডিএ কার্যালয়ের সামনের ফুটপাত দখলমুক্ত, কঠোর বার্তা চেয়ারম্যানের চট্টগ্রামে র‍্যাবের অভিযানে পরিত্যক্ত বিদেশি রাইফেল উদ্ধার

তেরখাদায় গৃহবধূর লাশের পরিচয় মিলেছে, থানায় হত্যা মামলা দায়ের,আটক-০৩

তেরখাদা প্রতিনিধিঃ ২৩ মার্চ সকালে তেরখাদা উপজেলার বিজয়নগর এলাকার ওসমান মিয়ার কলাবাগান থেকে উদ্ধারকৃত মহিলার লাশের পরিচয় মিলেছে। তার নাম সাকিরন বেগম ময়না (৪০)। সে কালিয়া উপজেলার হরিসপুর গ্রামের মৃত রহিম সরদারের পুত্র আনিচ সরদারের ১ম স্ত্রী।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, গৃহবধূ সাকিরন বেগম ময়নার আনিচ সরদারের সাথে বিয়ের পর থেকেই সাকিরন বেগম খুলনার বয়রায় বসবাস করতো। অপরদিকে আনিচ সরদার তার দ্বিতীয় স্ত্রী আঙ্গুরা বেগমকে নিয়ে হরিসপুর গ্রামে বসবাস করে। পুলিশ জানায়, সাকিরন বেগম ময়নার বিয়ের কিছুদিন পর স্বামীর পরামর্শ মত বিদেশে চলে যায়। দুই বছর বিদেশ থাকাকালীন সময়ে তার আয়ের সমূদয় টাকা স্বামী আনিচ সরদারের কাছে পাঠাতো। সাকিরন বিদেশে চলে যাওয়ার পর আনিচ সরদার দ্বিতীয় বিয়ে করে ঘরসংসার শুরু করে। সাকিরন বেগম দেশে ফিরে এসে দেখে আনিচের দ্বিতীয় স্ত্রী। এ নিয়েও সাকিরনের উপর নির্যাতন চালানো হয়। সাকিরন কোনো উপায়ন্তর না পেয়ে তার পাঠানো টাকা স্বামী আনিচের কাছে ফেরত চায়। সর্বশেষ গত ২২মার্চ বিকেলে সাকিরন বেগম ময়না তার পাওনা টাকা চাইতে স্বামীর বাড়ি হরিসপুর গ্রামে যায়। টাকা চাইলে সাকিরনের উপর চলে অমানসিক নির্যাতন। আনিচ সরদার, তার ভাই রনিচ সরদার অন্য আসামীদের নিয়ে সাকিরনকে হত্যা করে। তারা সাকিরনের মৃতদেহ গভীর রাতে তেরখাদা উপজেলার বিজয়নগর এলাকায় ওসমান মিয়ার কলাবাগানের মধ্যে ফেলে রেখে আসে। সকালে এলাকাবাসী লাশ দেখে তেরখাদা থানা পুলিশকে সংবাদ দিলে পুলিশ সাকিরনের লাশ উদ্ধার করে। এ ব্যাপারে সাকিরনের ভাই পান্না মিয়া বাদী হয়ে আনিচ সরদার,রনিচ সরদার (৪০), উভয় পিতা-মৃত রহিম সরদার, আঙ্গুরা বেগম (৩০), স্বামী-আনিচ সরদার, উভয় সাং-হরিশপুর, আকছের (৫৫), পিতা-মৃত রশিদ সরদার, সাং-হাড়িডাঙ্গা, ছবেদা বেগম(৬২), স্বামী-রহিম সরদার সর্ব থানা-কালিয়া, জেলা-নড়াইলের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। থানার অফিসার ইনচার্জ মেহেদী হাসান সংগীয় অফিসার ফোর্স নিয়ে আসামী রনিচ সরদার, আঙ্গুরা বেগম ও আকছেরকে আটক করে আদালতে সোপর্দ করেছেন।
তেরখাদা থানার ওসি মেহেদী হাসান জানান, আসামীরা দুর্দান্ত প্রকৃতির। তিনি বলেন,আসামী আনিচ ও রনিচ সরদারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন এলাকায় নানাবিধ অপরাধ সংঘটিত করার অভিযোগ রয়েছে।



ফেসবুকে আমরা
নোটিশ