বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
আওয়ামীলীগের প্রেতাত্মা দুর্নীতির বরপুত্রের বিআরটিসিতে কালো থাবা প্রতি মাসে মাসোয়ারা প্রায় পৌনে ৪ কোটি টাকা হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামী আনোয়ারকে নারায়ণগঞ্জ জেলার গ্রেফতার করে র‌্যাব-৮ ঝালকাঠি নারী শ্রমিককে ধর্ষণ ও অন্তঃসত্ত্বা করায় শাহী ৯৯ জর্দা মালিকের বিরুদ্ধে মামলা নলছিটিতে পৌর ছাত্র লীগের সাবেক সভাপতি শিক্ষক শিহাব চৌধুরী আটক বরিশালে হাতপাখার চাইতে দাড়িপাল্লা’ই বেশি জনপ্রিয়। শরীয়তপুরে ছুরিকাঘাতে,পেট্রোল ঢেলে গায়ে আগুন ধরিয়ে হত্যাকাণ্ডের ঘটনার প্রধান তিন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে র‍্যাব ৫৯ বিজিবি’র তৎপরতায় মোটরসাইকেলসহ ৫৩ বোতল নেশাজাতীয় সিরাপ জব্দ চাঁপাইনবাবগঞ্জ বিএনপি বেগম খালেদা জিয়ার মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত দেশ সবার, ঐক্য চাই, আযহারীর বক্তব্য। শেরপুর জেলা কারাগার থেকে পলাতক সাজাপ্রাপ্ত কয়েদী উসমান গ্রেপ্তার

আওয়ামীলীগের প্রেতাত্মা দুর্নীতির বরপুত্রের বিআরটিসিতে কালো থাবা প্রতি মাসে মাসোয়ারা প্রায় পৌনে ৪ কোটি টাকা

এবি সিদ্দীক ভূইঁয়া :আওয়ামী লীগের প্রেতাত্মা দুর্নীতির বরপুত্রের বি আর টি সিতে কালো থাবা, দিশেহারা ডিপোর ম‍্যানেজার, চালকসহ সকল কর্মকর্তা কর্মচারী বৃন্দ। অতিরিক্ত সচিব বিআরটিসি (BRTC)র চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লা। তিনি পূর্বে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ছিলেন এবং সরকার কর্তৃক এই পদে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছেন। আওয়ামী লীগের অনুসারী আমলাদের তালিকায় তার নাম রয়েছে।তাই আওয়ামী লীগের শাসন আমলেই তিনটি পদ-উন্নতি পান। যে দপ্তরে রয়েছেন সেই দপ্তরে বসেই দূর্নীতির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা অবৈধভাবে উপার্জন করেছেন।বর্তমানে বি আর টি সিতে এসেই ২৪ টি ডিপো থেকে গড়ে ১৪ লক্ষ টাকা নিয়েছেন। (এখানে প্রতিটি ডিপো থেকে এক রকম টাকা নেননি কোনো ডিপো থেকে ১১লক্ষ কোনো ডিপো থেকে ১৫ লক্ষ আবার কোনো ডিপো থেকে ১৬ লক্ষ টাকা করে দিয়েছেন প্রতিটি ডিপোর ম‍্যানেজার )তাদের দেয়া টাকার পরিমাণ মোট ৩ কোটি ৩৬ লক্ষ টাকা। কোন প্রকার ভাউচার ছাড়া বিষয়টি গোপনীয়তার সহিত করেছেন।নিয়েছেন হ‍্যান ক‍্যাশ। এসময় প্রতিটি ডিপোর ম‍্যানেজারদের চালকসহ সকল কর্মচারিদের বেতন দিতে কষ্ট হয়েছে সময় মত বেতন পাননি চালক কর্মচারীরা।এই বিষয়টি গোপন রাখতে বলেছেন। এখানেই শেষ নয় বিভিন্ন ডিপোতে তার আনুগত্যের শিকার করে অবৈধভাবে অর্থনৈতিক সুবিধা দিয়ে ম‍্যানেজার পদে পান ডিপোতে পান দায়িত্ব। সেখানে বসে চেয়ারম্যানের জন্য প্রতি দিন বিভিন্ন রুটে গাড়ি চলে সেই গাড়ি থেকে গাড়ি প্রতি ১ হাজার টাকা করে চেয়ারম্যানের নিজেস্ব ফান্ডে টাকা নেন।ম‍্যানেজারা অবৈধভাবে অর্থ হ‍্যান ক‍্যাশ সরাসরি হেড অফিসে গিয়ে দিয়ে আসেন মিটিং এর কথা বলে।এই অর্থ দিয়ে ওয়েবিলে কম অর্থ দিয়ে বিল জমা দেয়ার সুবিধা পান চালকরা।প্রতিটি কাউন্টার থেকেও অবৈধ অর্থ নিচ্ছে ম‍্যানেজার সেখান থেকেই ম‍্যানেজারা গড়ে ৪৫ হাজার টাকা করে দিচ্ছেন আর নিচ্ছেন চেয়ারম্যান। এখানে সকল ডিপো সমান বাবে অর্থ দিচ্ছেন না এখানেও রয়েছে তারতম্য কোনো ডিপো ৫৫ হাজার কোনো ডিপো ৪০ হাজার টাকা করে দেন। যে সকল বাস ডিপো থেকে টাকা দেওয়া হয় তাহার তালিকা : ০১ যাত্রাবাড়ী বাস ডিপো।০২জোয়ারসাহারা বাস ডিপো ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।০৩ মতিঝিল বাস ডিপো।০৪ কল্যাণপুর বাস ডিপো ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।০৫ মিরপুর দ্বিতল বাস ডিপো০৬ মোহাম্মদপুর বাস ডিপো।০৭ গাবতলী বাস ডিপো ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।০৮ গাজীপুর বাস ডিপো।০৯ ময়মনসিংহ বাস ডিপো ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।১০ নারায়ণগঞ্জ বাস ডিপো।১১ নরসিংদী বাস ডিপো ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।১২ কুমিল্লা বাস ডিপোও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।১৩ চট্টগ্রাম বাস ডিপো।১৪ সিলেট বাস ডিপো ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।১৫ বগুড়া বাস ডিপো ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।১৬ পাবনা বাস ডিপো ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।১৭সোনাপুর বাস ডিপো ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।১৮ রংপুর বাস ডিপো ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।১৯ দিনাজপুর বাস ডিপো ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।২০খুলনা বাস ডিপো ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।২১ বরিশাল বাস ডিপোও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।২২ টুঙ্গীপাড়া বাস ডিপো২৩ ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাস ডিপো ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।২৪ কক্সবাজার বাস ডিপো ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।২৪ টি বাস ডিপো থেকে প্রতিদিন ১০ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা চেয়ারম্যান পান।মাসে সেই অর্থের পরিমাণ দাড়ায় ৩ কোটি ২৪ লক্ষ টাকা।
এদিকে ওয়ার্কশপ থেকেও চেয়ারম্যানের আয় প্রতি মাসে ১০লক্ষ টাকা।ওয়ার্কশপ গুলো হল ০১ আইসিডব্লিউএস। ০২ কেন্দ্রীয় মেরামত কারখানা (সিডব্লিউএস)। অন্য দিকে একটি সুত্র জানায় দুটি ট্রাক ডিপো :০১ ঢাকা ট্রাক ডিপো তেজগাঁও। সেখান থেকেও প্রতি মাসে ১১ লক্ষ টাকা নেন চেয়ারম্যান।০২ চট্টগ্রাম ট্রাক ডিপো থেকেও প্রতি মাসে ৯ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা নেন চেয়ারম্যান।তিনি দায়িত্ব পাওয়ার পরে ঢাকা ট্রাক ডিপো তেজগাঁওতে চালকদের বিক্ষোভ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচি গ্রহণ করে। এদিকে জানাযায়, গত বছর আন্তর্জাতিক বানিজ‍্য মেলায় অপারেটিং ব‍্যায় খরচ নির্বাহের জন্য ধরা হয় ১৫ লক্ষ টাকা। বর্তমান চেয়ারম্যান সেখানে (আন্তর্জাতিক বানিজ‍্য মেলায় অপারেটিং ব‍্যায় খরচ নির্বাহের জন্য ৫৭ লক্ষ ৫৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করেছেন।)অথচ ৬ লক্ষ টাকাও খরচ হবে না। চেয়ারম্যানের রুমের ডেকারেশনের বরাদ্দ ৪৫ লক্ষ টাকা। ভাউচার দিয়ে চেয়ারম্যানের পকেটে ৪০ লক্ষ টাকা। ট্রেনিং ইনস্টিটিউট থেকেও বাদ যায়নি মাসিক মাসোয়ারা।৯টি ট্রেনিং ইনস্টিটিউট থেকে প্রতি মাসে ৪ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা নেন চেয়ারম্যান।৯টি ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের তালিকা ০১ কেন্দ্রীয় ট্রেনিং ইনস্টিটিউট, গাজীপুর।০২ তেজগাঁও ট্রেনিং ইনস্টিটিউট। ০৩ টুঙ্গীপাড়া ট্রেনিং ইনস্টিটিউট।০৪ ঝিনাইদহ ট্রেনিং ইনস্টিটিউট।০৫ যশোর প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ০৬ উথুলী প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। ০৭ সিরাজগঞ্জ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। ০৮ মিরপুর প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।০৯ নারায়ণগঞ্জ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। যে বি আর টি সি ছিলো লোকসানের কবলে সেই বি আর টি সিকে লাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে রেখে গেলেন। বি আর টি সি কি লোকসানের কবলে যেতেছে।এই প্রশ্ন সাধারণ চালক ও কিছু কর্মকর্তাদের মাঝে গুরপাক খাচ্ছে। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশন(বিআরটিসি) চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লা (অতিরিক্ত সচিব)অথচ অদৃশ্য শক্তির বলে বহাল তবিয়তে রয়েছেন এ কর্মকর্তা। ছাত্র জনতার আন্দোলনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ,শ্রমিক লীগকে অর্থ দিয়ে সহযোগিতা করেছেন বলে অভিযোগ! থাকা সত্ত্বেও রয়েছে বহাল তবিয়তে।সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে থাকা আওয়ামীলীগের অনুসারীরা গভীর ষড়যন্ত্রের জাল বুনছেন তাদের মধ্যে তিনি অন্যতম।বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশন(বিআরটিসি) চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লা (অতিরিক্ত সচিব)
কর্মস্থলে বসে অবৈধভাবে ঘুষ নেয়া তার পেশা এবং নেশায় পরিণত হয়েছে।আওয়ামী লীগের প্রেতাত্মা বতর্মানেও ছাত্র জনতার মহান উদ্দেশ্যকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য এখনো সক্রিয় রয়েছেন। তার নিজ এলাকায় একাধিক ব‍্যক্তি নাম না প্রকাশ করার শর্তে বলেন, আওয়ামী লীগের রাজনীত সাথে জড়িত তার পরিবার। ছাত্র অবস্থায় আওয়ামী লীগের ছাত্র রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন । তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ সেটা সত্য।একথা গুলো তার নিজ এলাকায় বিভিন্ন ব‍্যক্তির কাছ থেকে জানাযায়। আওয়ামী লীগে বড় নেতাদের সাথে বতর্মানে ও কথা হয়।
নাম না প্রকাশ করার সত্ত্বে একজন চালক বলেন বতর্মান চেয়ারম্যান আসার সাথে সাথে যারা আওয়ামী লীগের শ্রমিক লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন তারা সবাই ভালো স্থানে বদলি হয়েছেন টাকার বিনিময়ে। বতর্মান চেয়ারম্যান টাকা ছাড়া কিছুই বুঝে না ভাই আগে বেতন পেতাম ৩০ তারিখে মধ্যে। এখন ১০ তারিখে ও পাই বেতন। নাম না প্রকাশের সত্ত্বে এক ম‍্যানেজার বলেন তার মাসিক মাসোয়ারা যারা দিতে পারে তারাই ভালো স্থানে বদলি হয়। যারা সততার সাথে চলতে চাই তারা তার শত্রু। এ বিষয়ে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড.ইফতেখারুজ্জামান বলেন, সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের বসে তারা সেখানে বসেই অবৈধভাবে অর্থ নিচ্ছে রক্ষক যখন বক্ষকের ভুমিকায় ।অবৈধভাবে টাকা উত্তোলন এটি কোন ছোট্ট অপরাধ নয়।দুর্নীতি কখনো ছোট বড় নয় দুর্নীতি তো দুর্নীতিই সেটি যেমনই হোক। ছোট বড় দুর্নীতিতো দুর্নীতিই জন্ম দেয়। দুদক আগের চেয়ে ভালো কাজ করছে এতে কোনো সন্দেহ নেই। দুদকের দুর্নীতির বিষয়ে আর বিশদ অনুসন্ধান প্রয়োজন। কেননা যে তুলনায় দুর্নীতির অভিযোগ আসে সেই তুলনায় দুদক অনুসন্ধান করতে পারে না। যদি সকল দুর্নীতি দুদক অনুসন্ধান করতে পারতো তাহলে দুর্নীতি অনেকাংশে কমে আসত। তবে আমরা আশাবাদী দুর্নীতিবাজদের শিকড় উপড়ে ফেলা সম্ভব সেটি একদিন হবেই। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান বলেন,আমরা অনেক দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান করছি। সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে বসে দুর্নীতির সাথে জড়িয়ে পরেছেন কিছু বড় কর্মকর্তা। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশন(বিআরটিসি) চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লা (অতিরিক্ত সচিব) দুর্নীতির সাথে জড়িত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে কি না জানা নেই ।অভিযোগ পেলে সেটা তদন্তের মাধ্যমে আইন আনুগব‍‍্যবস্থা গ্রহন করা হবে। যারাই অপরাধ করুক না কেন আমাদের অনুসন্ধানে যদি কোনোভাবে প্রমাণিত হয়।তবে আমরা তাদের বিরুদ্ধে মামলা করব এবং প্রয়োজনীয় যত ব্যবস্থা আছে তা নেব। কোনো দুর্নীতিবাজকে ছাড় দেওয়া হবে না। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশন(বিআরটিসি) চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লা (অতিরিক্ত সচিব) ফোনে একাধিক বার ফোন করেও তাকে পাওয়া যায়নি।



ফেসবুকে আমরা
নোটিশ