বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫১ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
বসতবাড়ি দখল, ভাঙচুর ও স্বর্ণালঙ্কার ছিনতাইয়ের অভিযোগে বিচার চাইলেন অসহায় লাভলী ইয়াসমিন বিদেশে ব্যবসার প্রলোভন,টাকা নিয়ে টালবাহানা বিভিন্ন দপ্তরসহ থানায় অভিযোগ আমতলীতে তিন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগে অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থীর মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ গোপালগঞ্জ আদালতে তোলপাড়: বিচারকের ছুড়ে মারা পেপার ওয়েটে নারী শিক্ষানবিশ আইনজীবী আহতের অভিযোগ, বিচারকাজ বর্জন ও বিক্ষোভে ফেটে পড়লেন আইনজীবীরা কিশোর অপরাধ, সাইবার অপরাধ এবং মাদককে না’: অপরাধমুক্ত ভবিষ্যৎ গড়তে বরিশাল জিলা স্কুলে র‍্যাব-৮ এর ব্যতিক্রমী উদ্যোগ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ! সালিশে টাকা ফেরতের স্বীকারোক্তি, পরে টালবাহানা—পুলিশ সুপারের দ্বারস্থ ভুক্তভোগী” মোল্লাহাট থানা পুলিশের সহযোগিতায় পরিবারের কাছে ফিরল হারিয়ে যাওয়া প্রতিবন্ধী শিশু পাহাড়ি ঢলে বিপর্যস্ত কলমাকান্দা সড়ক বিচ্ছিন্ন, ভেঙ্গে পড়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মধ্যনগরে ১৬ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এমপি কামরুলের অর্থায়নে নৌকা বিতরণ গৌরীপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধে বৃদ্ধ মহিলাকে মাথায় আঘাতে থানায় লিখিত অভিযোগ

বসতবাড়ি দখল, ভাঙচুর ও স্বর্ণালঙ্কার ছিনতাইয়ের অভিযোগে বিচার চাইলেন অসহায় লাভলী ইয়াসমিন

মোঃ ফয়জুল ইসলাম লিমন,গোপালগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:গোপালগঞ্জ সদর পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে এক অসহায় নারীর বসতবাড়ি দখলের চেষ্টা, ভাঙচুর, স্বর্ণালঙ্কার ছিনিয়ে নেওয়া এবং দীর্ঘদিন ধরে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগে এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগী *লাভলী ইয়াসমিন (৫০)* প্রশাসনের কাছে বিচার ও নিরাপত্তা দাবি করে লিখিত অভিযোগ করেছেন।ভুক্তভোগী লাভলী ইয়াসমিন জানান, তিনি মৃত মহসিনউদ্দিন খানের কন্যা ও আনোয়ারা বেগমের সন্তান। তার গ্রামের বাড়ি পুইশুর ইউনিয়নের দেয়াসুর গ্রামে। কয়েক বছর আগে রাজপাট ইউনিয়নের বড়ইহাট এলাকার বাসিন্দা *দাউদ মোল্লা (৬৫)* এর সঙ্গে তার বৈবাহিক সম্পর্ক হয়। অভিযুক্ত দাউদ মোল্লা আলাউদ্দিন মোল্লা ও সায়েরা বেগমের ছেলে।লাভলী ইয়াসমিনের অভিযোগ, ২০২২ সালের নভেম্বর মাসে দাউদ মোল্লা তাকে তালাক দেন। কিন্তু তালাকের পরও তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা শান্তিতে বসবাস করতে পারেননি। অভিযোগ রয়েছে, এরপর থেকেই দাউদ মোল্লা ও তার লোকজন বিভিন্ন সময়ে তাদের ওপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালিয়ে আসছেন।ভুক্তভোগীর ভাষ্যমতে, গোপালগঞ্জ সদর পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে তার নিজ নামে ৪ শতক জমি রয়েছে। এর মধ্যে বিভিন্ন কৌশলে ২ শতক জমি দাউদ মোল্লা নিজের নামে লিখে নেন। বাকি ২ শতক জমির ওপর লাভলী ইয়াসমিন তার ছেলে, পুত্রবধূ *মনি আক্তার মানসুরা* ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিয়ে বসবাস করে আসছিলেন। মনি আক্তার মানসুরার স্বামীর নাম *আল মামুন। অভিযোগে আরও বলা হয়, একাধিকবার সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে এসে তাদের বাড়িতে হামলা চালানো হয়। এ সময় বাড়িঘরে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয় এবং ভুক্তভোগীদের স্বর্ণালঙ্কার ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনাও ঘটে। লাভলী ইয়াসমিন অভিযোগ করেন, তার কানের স্বর্ণের দুল এবং পুত্রবধূর গলার স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বারবার তার বসতবাড়ি দখলের চেষ্টা করা হচ্ছে এবং তাকে উচ্ছেদের হুমকিও দেওয়া হচ্ছে। এতে তিনি ও তার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।লাভলী ইয়াসমিন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, এই ৫০ বছর বয়সে স্বামীর তালাকের পর আমি অসহায় হয়ে পড়েছি। এখন কোথায় যাব, কার কাছে থাকব বুঝতে পারছি না। আমার শেষ সম্বল এই বসতবাড়িটুকুও দখল করার চেষ্টা চলছে। আমি প্রশাসনের কাছে ন্যায়বিচার চাই।
স্থানীয় কয়েকজন এলাকাবাসীও গণমাধ্যমকে জানান, লাভলী ইয়াসমিন দীর্ঘদিন ধরে নানা ধরনের হয়রানি ও ভয়ভীতির মধ্যে রয়েছেন। তারা বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং ভুক্তভোগী পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।এ বিষয়ে অভিযুক্ত দাউদ মোল্লার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রকাশ করা হবে। প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি ভুক্তভোগী পরিবারের আকুতি, দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে তাদের জানমাল ও বসতবাড়ির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক।



ফেসবুকে আমরা
নোটিশ