বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ১০:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
বাংলাদেশ পুলিশ উইমেন নেটওয়ার্কের কৌশলগত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন নিয়ে দেশব্যাপী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভোলা বোরহানউদ্দিন চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার দুই জন অভিযুক্ত র‍্যাব-৮ এর অভিযানে গ্রেফতার চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযানে ২০ পিস ইয়াবাসহ একাধিক মামলার আসামি গ্রেফতার চট্টগ্রামের বর্জ্য থেকে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে আগ্রহী চীনা কনসোর্টিয়াম যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞায় চট্টগ্রামে আটকে স্ক্র্যাপ জাহাজ, সংকটে শিপব্রেকিং শিল্প ৬৩ বছরের অপেক্ষার অবসান, পতেঙ্গার তিন ওয়ার্ডে পৌঁছাচ্ছে ওয়াসার পানি শেরপুর সীমান্তে ৫টি ভারতীয় গরু জব্দ রাজধানীর পর চট্টগ্রামেও বসছে এআই ক্যামেরা চট্টগ্রামের জিয়া স্মৃতি জাদুঘর দ্রুত জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হবে ইত্তে গ্রামে কিশোর গ্যাং ইমামুল কতৃক কিশোরী অপহরণ

রাজধানীর পর চট্টগ্রামেও বসছে এআই ক্যামেরা

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃপ্রযুক্তিনির্ভর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় সিএমপির উদ্যোগ, চলছে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা।
রাজধানী ঢাকার পর এবার চট্টগ্রাম মহানগরীর সড়কেও বসানো হচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিনির্ভর ক্যামেরা। যানজট নিয়ন্ত্রণ, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন এবং আইন লঙ্ঘন শনাক্তে এ উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)। ইতোমধ্যে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও জংশনগুলোতে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও কারিগরি যাচাইয়ের কাজ শুরু হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রাম নগরীর অধিকাংশ ট্রাফিক সিগন্যাল অকার্যকর অবস্থায় রয়েছে। ফলে ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের হাতের ইশারার ওপর নির্ভর করেই যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। এর পাশাপাশি অবৈধ পার্কিং, যেখানে-সেখানে যাত্রী ওঠানামা এবং অনিয়ন্ত্রিত পথচারী চলাচলের কারণে নগরজুড়ে তীব্র যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। এতে প্রতিদিনই কর্মঘণ্টার উল্লেখযোগ্য অংশ নষ্ট হচ্ছে নগরবাসীর।
এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রযুক্তিনির্ভর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার দিকে ঝুঁকছে সিএমপি। ঢাকায় এআই ক্যামেরা ব্যবহারের মাধ্যমে যানবাহনের চাপ বিশ্লেষণ, স্বয়ংক্রিয় সিগন্যাল নিয়ন্ত্রণ এবং ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন শনাক্তকরণে ইতিবাচক ফল পাওয়ার পর একই মডেল চট্টগ্রামেও বাস্তবায়নের চিন্তা করা হচ্ছে।
সিএমপির পুলিশ কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী বলেন, “বিষয়টি বর্তমানে সমীক্ষা ও যাচাই-বাছাইয়ের পর্যায়ে রয়েছে। সার্ভে শেষে প্রাপ্ত ফলাফলের ভিত্তিতে পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।”
তবে নগর পরিকল্পনাবিদ ও বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, শুধু এআই ক্যামেরা স্থাপন করলেই যানজট সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে না। এর সঙ্গে সমন্বিত ট্রাফিক পরিকল্পনা, কার্যকর সিগন্যাল ব্যবস্থা এবং গণপরিবহন খাতের উন্নয়নও জরুরি।
নগর পরিকল্পনাবিদ প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদার বলেন, “কোন লেনে কী গতিতে যানবাহন চলবে, পথচারীদের জন্য কোন করিডোর থাকবে—এসব বিষয় সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়ন করতে না পারলে আধুনিক প্রযুক্তির পূর্ণ সুফল পাওয়া যাবে না।”সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে নগরীর যানজট অনেকাংশে কমবে, ট্রাফিক আইন প্রয়োগ আরও কার্যকর হবে এবং নাগরিকদের দৈনন্দিন যাতায়াতে স্বস্তি ফিরবে।



ফেসবুকে আমরা
নোটিশ