শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ০৭:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
গোপালগঞ্জে চিকিৎসকের বিরুদ্ধে প্রেমের সম্পর্ক ও বিয়ের প্রলোভনের অভিযোগ; নারীর মৃত্যুর ঘটনায় আদালতের নির্দেশে কারাগারে অভিযুক্ত পূর্বধলায় এমপি মানসুরা আক্তারের পক্ষ থেকে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ ফকিরহাটে ৪ হাজার ১৫ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার-৪ আদমদীঘিতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন আদমদীঘিতে পরিত্যক্ত ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ সাতক্ষীরা সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল কর্তৃক উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোন ও বিকাশের টাকা প্রকৃত মালিকের নিকট হস্তান্তর পটুয়াখালীতে মাদক ব্যবসায়ীদের বাধা দেওয়ায় বৃদ্ধকে পিটিয়ে জখম ৷ ফল উৎসব -২০২৬ইং উদযাপন করেন এ. টি. একাডেমী বাংলাদেশে সফলভাবে অনুষ্ঠিত CST লেভেল-১ প্রশিক্ষণ: খেলাধুলার মাধ্যমে সামাজিক সম্প্রীতি ও নেতৃত্ব বিকাশে নতুন দিগন্ত কাশিয়ানীতে অবসরপ্রাপ্ত আর্মি সার্জেন্টের গুদামে গভীর রাতে দুর্ধর্ষ চুরি; লাখ টাকার কৃষিপণ্য ও মালামাল লুটের অভিযোগ, প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি

বোরহানউদ্দিনে পুলিশের মামলার আসামিদের বসত ঘরে হামলা ও লুটপাট

ভোলা প্রতিনিধি: ভোলা বোরহানউদ্দিনে পুলিশের উপর হামলা মামলার আসামীদের বসত ঘরে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে নগদ টাকা, মূল্যবান মালামালসহ খামারের ৪ টি অস্ট্রেলিয়ান গাভী ও একটি টলি ট্রাক্টর নিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা। পুলিশের ভয়ে পলাতক থাকায় মালামাল লুট হওয়া ভিক্টিমরা এখনো মামলা করতে পারেনি। সরেজমিনে গিয়ে ঘটনা অনুসন্ধানে জানা যায়, গত ৪ মার্চ (মোঙ্গলবার) সন্ধ্যার পর বোরহানউদ্দিন থানার এএসআই কামরুল ইসলামসহ সাদা পোষাকে তিন পুলিশ সদস্যের একটি দল বোরহানউদ্দিন উপজেলা কাচিয়া ইউনিয়ন ৬ নং ওয়ার্ডের কালিরহাট এলাকায় অভিযানে যান। পুলিশ মাদকের অভিযোগে আকবার নামের একজনকে আটক করলে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে এএসআই কামরুলকে জখম করে। পরে ওইদিন রাত থেকে পুলিশের একাধিক টিম অভিযান পরিচালনা করে ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করে জেল হাজতে পাঠান।
ওই ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে ২১ জনের নাম উল্লেখ করে আরো অজ্ঞাত ২০ জনের নামে মামলা হওয়ায় গ্রেপ্তার আতঙ্কে এলাকা পুরুষ শূন্য হয়ে পড়ে।

ওই সুযোগে ঘটনার পরদিন ৫ মার্চ (বুধবার) রাত দেড়টার দিকে কাচিয়া ইউনিয়নের সাফিজল মাতাব্বর ও আনোয়ারের নেতৃত্বে আরশাদ উল্লাহ, তোফায়েল মাতব্বর, নোয়াব, নকীবসহ ২০ থেকে ২৫ জনের একটি গ্রুপ কালিরহাট আবাসন প্রকল্পে বাসিন্দা পুলিশের উপর হামলা মামলার আসামি আলমগীর হাওলাদার, ফখরুল হাওলাদার, রবি আলম, আকবর ও আব্দুর রহিম তাদের বসত ঘরে প্রবেশ করে সবাইকে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে হামলা চালিয়ে মূল্যমান আসবাবপত্র, নগদ টাকাসহ ফখরুল হাওলাদারের খামারের ৪ টি গরু, ঘর নির্মাণের রড, সিমেন্ট ও একটি ট্রলি ট্রাক্টরসহ পাঁচটি ঘরের প্রায় ৬০ লক্ষ টাকার মালামাল লুট করে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া যায়।
পুলিশের ভয়ে পলাতক থাকায় মালামাল লুট হওয়া ভিক্টিমরা এখনো মামলা করতে পারেনি।এ বিষয়ে অভিযুক্ত সাফিজল মাতব্বর জানান, পুলিশের উপর হামলার খবর শুনে আমরা দেখতে গিয়েছি। আমাদের মত আরে বহু লোক ঘটনাস্থলে গিয়েছে। তাদের কোন মালামাল নেইনি। আলমগীর যুবলীগ করতো, তারা একসময় আমার বোনের বাড়ি ঘর লুটপাট করেছে।এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য অভিযুক্ত অপর কাউকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
বোরহানউদ্দিন থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ সিদ্দিকুর রহমান জনান, পুলিশের উপর হামলার আসামিদের মালামাল লুটপাটের বিষয়ে কেউ থানায় অভিযোগ করেনি। এ বিষয়ে আমার যানা নেই।



ফেসবুকে আমরা
নোটিশ