প্রেস বিজ্ঞপ্তি : র্যাব প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই খুন, ধর্ষন, ডাকাতি, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজি, মজুতদারি, মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িতদের গ্রেফতারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। গোয়েন্দা নজরদারী ও আভিযানিক কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় এ ধরনের অপরাধ নিয়ন্ত্রণে র্যাব ইতিমধ্যেই বিশেষ সফলতা অর্জনে সক্ষম হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায়, র্যাব-৮, সদর কোম্পানী, বরিশাল এর একটি চৌকস আভিযানিক দল ২০ জুন ২০২৬ তারিখ বিকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বরিশাল মেট্রোপলিটন এলাকার বন্দর থানাধীন চরপত্তানিয়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে বরিশাল সদরের ১৩ বছর বয়সী ভিকটিমকে গণধর্ষণ মামলার অন্যতম মূলহোতা মোঃ সাইদ (২২), পিতা- মোঃ মোক্তার, মাতা- রাহিমা বেগম, সাং- রাজারচর, থানা-কোতয়ালী, জেলা-বরিশাল’কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। মামলার এজাহারের বিবরণে জানা যায়, ভিকটিম বন্দর থানাধীন খোন্তাখালী মাদ্রাসার ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রী। গ্রেফতারকৃত অভিযুক্ত মোঃ সাইদ এবং ভিকটিমের বসত ঘর পাশাপাশি। গ্রেফতারকৃত অভিযুক্ত বিভিন্ন সময় ভিকটিমকে কু-প্রস্তাব দিয়া আসছিল। গত ১০ জুলাই ২০২৬ খ্রিঃ তারিখ সন্ধ্যা অনুমান ৭:৩০ ঘটিকার সময় ভিকটিম প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে ঘরের বাহিরে বাথরুমে যাওয়ার পথে গ্রেফতারকৃত অভিযুক্ত মোঃ সাইদ সহ অন্যান্য অভিযুক্তরা পরস্পর যোগসাজসে এবং একে অপরের সহায়তায় ভিকটিমের মুখ চেপে ধরে গলায় চাকু ধরে খুন জখমের হুমকি দিয়ে কোতয়ালী মডেল থানাধীন ৫নং চরমোনাই ইউনিয়নের বাজারচর এলাকায় নিয়ে গিয়ে ভিকটিমের ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষন করে। উক্ত ঘটনায় ভিকটিমের মা বাদী হয়ে বরিশাল জেলার কোতয়ালী মডেল থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। উল্লেখ্য যে, ঘটনার পর থেকেই র্যাব-৮, সদর কোম্পানী, বরিশাল ঘটনার ছায়া তদন্ত শুরু করে। অপরাধী অত্যন্ত চতুরতার সাথে এলাকা ত্যাগ করে আত্মগোপনে চলে যায় এবং তার অবস্থান পরিবর্তনের মাধ্যমে আইন-শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে। কিন্তু, র্যাব-৮, সদর কোম্পানী, বরিশাল পেশাদারিত্বের সাথে অপরাধীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারকৃত অভিযুক্তকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য বরিশাল জেলার কোতয়ালী মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়।