অতিথি প্রতিবেদক : ঘুষ দাবী ও বাদীকে হয়রানীর অভিযোগে নলছিটি থানার এসআই আতাউর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন এক ভুক্তভোগী নারী। গত ৮ ই মে ২০২৫ ইং তারিখ ভুক্তভোগী নারী নুশরাত জাহান আইজিপিস কমপ্লেইন সেল, পুলিশ হেডকোয়ার্টার, ঢাকা। ও ডিআইজি বরিশাল রেঞ্জ পুলিশ, বরিশাল বিভাগ, বরিশাল। এবং ঝালকাঠি জেলায় পুলিশ সুপারের বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,ঝালকাঠি জেলাধীন নলছিটি উপজেলার ৯ নং দপদপিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম কয়া ৮ নং ওয়ার্ড এলাকার বাসিন্দা এইচ.এম শাহআলম শাহ এর মেয়ে নুশরাত জাহান বাদী হয়ে গত ১৭ ই মার্চ ২০২৫ ইং তারিখ নলছিটি থানায় ৬ জনকে আসামি করে একটি যৌতুক ও নারী নির্যাতন মামলা দায়ের করেন। মামলা নং- (জি,আর-৩৮/২৫ নল) নলছিটি থানা মামলা নং-১০) ১৭/০৩/২০২৫ ইং। মামলাটির তদন্তভার নলছিটি থানায় কর্মরত এস.আই- এস.এম আতাউর রহমানের উপর ন্যাস্ত করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় এসআই আতাউর রহমান। বাদী নুশরাত জাহানের নিকট ২০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন। উক্ত দাবিকৃত টাকা না দিলে ও তার কু-প্রস্তাবে রাজী না হইলে মামলার আসামীদের অব্যহতি দিয়ে আদালতে প্রতিবেদন দেওয়া হবে বলে বাদী নুশরাত জাহান কে জানান। এছাড়াও তদন্তকারী কর্মকর্তা আতাউর রহমান, মামলার বাদী নুশরাত জাহানকে কু-প্রস্তাব দেওয়া সহ বিভিন্ন অনৈতিক ও অসামাজিক কথা বলিয়াছেন। পরবর্তীতে বাদী নুশরাত জাহান দাবিকৃত টাকা না দেওয়ায় মামলার আসামীদের সঙ্গে এসআই আতাউর রহমান, যোগসাজসে আসামীদের কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা নিয়ে মামলার ৫ জন আসামীদেরকে অব্যাহতির সুপারিশ করে ৬ ই মে ২০২৫ ইং তারিখ আদালতে একটি প্রতিবেদন দাখিল করেন। মামলার ১ নং আসামি মোঃ আলামিন হাওলাদার এখনো জেল হাজতে আছেন। বাদি আরো অভিযোগ করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা আতাউর রহমান মামলার তদন্তকালে স্বাক্ষীগণ ও বাদী নুশরাত জাহানের বক্তব্য গ্রহন না করে মনগড়া প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করেন।
অভিযোগকারী নুশরাত জাহান বলেন, মামলার তদন্তকালে তদন্তকারী কর্মকর্তা আমাকে কু-প্রস্তাব দিয়েছে এবং আমার কাছে ঘুষ দাবি করিয়াছে। উপরোক্ত অভিযোগগুলো তদন্ত করে ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানাচ্ছি।তবে অভিযুক্ত এসআই আতাউর রহমান কোন মন্তব্য না করে সাংবাদিক গনদের কাছে বলেন, আমি অভিযোগপত্র এখনো দেখিনি। আর এ বিষয়ে আমার কোন বক্তব্য নাই বলে কল কেটে দেন।