বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ১২:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
মাদারীপুরের কালকিনিতে ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‍্যাব-৮ হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামী র‌্যাব-৮ এর অভিযানে গ্রেফতার। রানীশংকৈলে শহীদ জিয়ার ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত, দোয়া-মিলাদ ও খাদ্য বিতরণ আসন্ন পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে র‌্যাব-৮ এর আওতাধীন এলাকায় পর্যাপ্ত প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়। ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে পিরোজপুর পৌর পশুর হাটে কন্ট্রোল রুম ও জাল টাকা সনাক্তকরণের মেশিন স্থাপন,পশুর হাট পরিদর্শন করে র‌্যাব-৮ এর সিপিএসসি ক্যাম্পন ভয়ানক মাদকের কারবার ফেন্সিডিলসহ ৪ জন মাদক ব্যবসায়ী র‌্যাব-৮ কর্তৃক গ্রেফতার চাঞ্চল্যকর ক্লুলেস হত্যা মামলা এবং খুন, ডাকাতি, দস্যুতা, অস্ত্র সহ সর্বমোট ১৮ টি মামলার দুর্ধর্ষ অভিযুক্ত লিটন র‌্যাব-৮ কর্তৃক গ্রেফতার র‍্যাব-৮ এর অভিযানে মরণঘাতী আগ্নেয়াস্ত্র বিদেশি পেন গান উদ্ধার র‌্যাব-৮ কর্তৃক কাউখালি থানার চাঞ্চল্যকর ডাকাতি মামলার পলাতক একজন ডাকাত সদস্য গ্রেফতার বরগুনা পাথরঘাটায় হত্যা মামলার পলাতক অভিযুক্ত বেলায়েত’কে র‌্যাব-৮ কর্তৃক গ্রেফতার।

জেলা যুবদলের কমিটি পূর্ণগঠন:তৃণমূলের আস্থায় এগিয়ে নুরুল আমিন লিটন গাজী ৷

মোঃ রিয়াজুর রহমান,পটুয়াখালী প্রতিনিধি : পটুয়াখালীতে জাতীয়তাবাদী যুবদলের জেলা কমিটি পুনর্গঠনকে ঘিরে বিএনপির রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনা ও মেরুকরণ তৈরি হয়েছে। দলীয় সূত্রগুলো বলছে, দীর্ঘদিন পর যুবদলের নেতৃত্বে বড় ধরনের পরিবর্তন আনার উদ্যোগ নিয়েছে বিএনপির হাইকমান্ড। রাজপথে সক্রিয়, ত্যাগী ও সাংগঠনিকভাবে দক্ষ নেতাদের সমন্বয়ে একটি শক্তিশালী কমিটি গঠনের পরিকল্পনা চলছে। আর এই প্রক্রিয়ায় জেলায় তৃণমূলের নেতাকর্মীরা আগামীর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে জেলা যুবদলের সাবেক (সহ-সভাপতি) নুরুল আমিন লিটন গাজীর নাম ৷দলীয় একাধিক সূত্র ও তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে,যুবদলের এই সাবেক (সহ-সভাপতি) দীর্ঘদিন ধরেই বিএনপির ছাত্র ও যুব রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন।বিশেষ করে জেলা যুবদলের সাবেক এই (সহ-সভাপতি) দায়িত্ব পালনের সময় রাজনৈতিক প্রতিকূলতার মধ্যেও সংগঠনকে সক্রিয় রাখার কারণে তিনি কর্মীদের মধ্যে একটি গ্রহণযোগ্য অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হন।
প্রচলিত রাজনৈতিক ধারায় থাকলেও লোভ লালসার স্রোতে গা ভাসাননি তিনি। সাবেক এই নেতা আরো জানায় নির্যাতিত এই মানুষগুলো আবার এসেছেন রাজপথে। তাদের চোখে এখন একটিই স্বপ্ন-একটি ফ্যাসিবাদহীন, গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ। যেখানে রাজনীতি অপরাধ নয়, মত প্রকাশ শাস্তিযোগ্য নয়, বরং অধিকার।
যেখানে কেউ রাজনৈতিক কারণে গুম হবে না,কেউ মিথ্যা মামলায় বছরের পর বছর জেলে সময় পার করবে না, কেউ রাজনীতির জন্য পিতা,ভাই, পুত্র, পরিবারের সদস্য বা বন্ধু হারাবে না। পদপ্রত্যাশীদের সংখ্যা বেশি হওয়া, বিভিন্ন অঞ্চলের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা, ত্যাগী ও সক্রিয় নেতাদের মূল্যায়ন এবং সাংগঠনিক ভারসাম্য রক্ষার মতো বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিয়ে যাচাই-বাছাই চলায় প্রক্রিয়াটি দীর্ঘায়িত হয়েছে বলে মনে করছেন অনেকে।



ফেসবুকে আমরা
নোটিশ