বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
আওয়ামীলীগের প্রেতাত্মা দুর্নীতির বরপুত্রের বিআরটিসিতে কালো থাবা প্রতি মাসে মাসোয়ারা প্রায় পৌনে ৪ কোটি টাকা হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামী আনোয়ারকে নারায়ণগঞ্জ জেলার গ্রেফতার করে র‌্যাব-৮ ঝালকাঠি নারী শ্রমিককে ধর্ষণ ও অন্তঃসত্ত্বা করায় শাহী ৯৯ জর্দা মালিকের বিরুদ্ধে মামলা নলছিটিতে পৌর ছাত্র লীগের সাবেক সভাপতি শিক্ষক শিহাব চৌধুরী আটক বরিশালে হাতপাখার চাইতে দাড়িপাল্লা’ই বেশি জনপ্রিয়। শরীয়তপুরে ছুরিকাঘাতে,পেট্রোল ঢেলে গায়ে আগুন ধরিয়ে হত্যাকাণ্ডের ঘটনার প্রধান তিন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে র‍্যাব ৫৯ বিজিবি’র তৎপরতায় মোটরসাইকেলসহ ৫৩ বোতল নেশাজাতীয় সিরাপ জব্দ চাঁপাইনবাবগঞ্জ বিএনপি বেগম খালেদা জিয়ার মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত দেশ সবার, ঐক্য চাই, আযহারীর বক্তব্য। শেরপুর জেলা কারাগার থেকে পলাতক সাজাপ্রাপ্ত কয়েদী উসমান গ্রেপ্তার

ঝালকাঠি নারী শ্রমিককে ধর্ষণ ও অন্তঃসত্ত্বা করায় শাহী ৯৯ জর্দা মালিকের বিরুদ্ধে মামলা

CREATOR: gd-jpeg v1.0 (using IJG JPEG v62), quality = 82?

স্টাফ রিপোর্টার : ঝালকাঠিতে এক নারী শ্রমিককে ধর্ষণ, শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন এবং গর্ভবতী করার অভিযোগে কারখানা মালিক ও তার সহযোগীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাটি এফআইআর হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।সোমবার (৫ জানুয়ারি) দুপুরে ঝালকাঠি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক শরীফ মোহাম্মদ সানাউল্লাহ অভিযোগটি আমলে নিয়ে ঝালকাঠি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে এফআইআর হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন।
মামলার বাদী ঝালকাঠি শহরের পূর্ব কাঠপট্টি এলাকার আদি সাবিহা কেমিক্যাল ওয়ার্কস (শাহী ৯৯ জর্দা) কারখানার একজন নারী শ্রমিক। মামলায় ১ নম্বর আসামি করা হয়েছে ঝালকাঠি পৌর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও ওই কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক শামসুল হক মনু মিয়াকে এবং ২ নম্বর আসামি করা হয়েছে কারখানার শ্রমিক ফরিদ হোসেনকে।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ফরিদ হোসেন চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে রুবিনা বেগমকে কারখানার মালিক মনু মিয়ার কাছে নিয়ে যান। মনু মিয়া প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন সময় ওই নারী শ্রমিকের ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্কে বাধ্য করেন। এরপর চাকরির সুবাদে একাধিকবার তাকে ধর্ষণ করেন।
মামলার বর্ণনায় আরও বলা হয়, ২০২৪ সালের ৭ নভেম্বর ২ নম্বর আসামি ফরিদ হোসেনও তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। এতে রুবিনা বেগম গর্ভবতী হয়ে পড়লে বিষয়টি গোপন রাখতে এবং গর্ভের সন্তানের বৈধতা দিতে শামসুল হক মনু উদ্যোগে ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদ হোসেনের সঙ্গে কাবিন রেজিস্ট্রি করানো হয়। পরে ১৫ জুলাই একটি কন্যা সন্তান জন্ম নিলে একই বছরের ২৩ সেপ্টেম্বর ফরিদ হোসেন তাকে তালাক দেন। অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, ঘটনার বিষয়টি প্রকাশ করতে চাইলে আসামিরা ভুক্তভোগীকে ভয়ভীতি প্রদর্শন, মারধর ও হুমকি দেন এবং একপর্যায়ে তাকে কারখানা থেকে বের করে দেওয়া হয়। পরে অসুস্থ হয়ে পড়লে সাক্ষীদের সঙ্গে পরামর্শ করে ২ ডিসেম্বর থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেয়। এরপর ন্যায়বিচারের আশায় তিনি আদালতের শরণাপন্ন হন।আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলায় একাধিক সাক্ষীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং অভিযোগের বিষয়ে আইনানুগ তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে বাদীপক্ষের আইনজীবী পার্থসারথি রায় মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ভুক্তভোগী নারী যেন ন্যায়বিচার পান, সে লক্ষ্যেই আমরা আদালতের দ্বারস্থ হয়েছি।এ বিষয়ে ঝালকাঠি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমতিয়াজ আহমেদ জানান, আদালতের নির্দেশনা এখনো থানায় এসে পৌঁছায়নি। হাতে পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।



ফেসবুকে আমরা
নোটিশ