মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ০৯:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
বরিশাল সিভিল সার্জনের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন-মুলধারার সাংবাদিকদের ছাড়াই প্রেস কনফারেন্স সুখচর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ঘিরে আলোচনা; মোঃ সালাউদ্দিনকে নিয়ে স্থানীয়দের আগ্রহ ভুয়া ঠিকানায় চাকরি, নিয়োগ-বদলি বাণিজ্যের অভিযোগে আলোচনায় কারারক্ষী সুজন মিয়া—নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি সিডিএ কার্যালয়ের সামনের ফুটপাত দখলমুক্ত, কঠোর বার্তা চেয়ারম্যানের সিডিএ কার্যালয়ের সামনের ফুটপাত দখলমুক্ত, কঠোর বার্তা চেয়ারম্যানের চট্টগ্রামে র‍্যাবের অভিযানে পরিত্যক্ত বিদেশি রাইফেল উদ্ধার ঋণের চাপ সইতে না পেরে ঠাকুরগাঁওয়ে বৃদ্ধের আত্মহত্যার অভিযোগ গ্রেফতারের পরদিন চট্টগ্রাম কারাগারে হার্ট এ্যাটাকে যুবলীগ নেতার মৃত্যু ঝিনাইগাতীতে কৃষি পুনর্বাসন কর্মসূচির আওতায় কৃষকদের মাঝে উচ্চফলনশীল আমন, মরিচ বীজ ও সার বিতরণ ঝিনাইগাতীতে শিশু ইলিয়াছ হত্যা মামলার অন্যতম আসামি নাসির উদ্দিন র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার

বাগমারা’য় পুকুর খনন,ধানের বদলে কুচুরিপানা জমিতে,দুশ্চিতায় কৃষকরা

স্টাফ রিপোর্টার : রাজশাহীর-বাগমারা উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বিলে কয়েক বছর থেকে অপরিকল্পিতভাবে পুকুর খননের কারণে পরিত্যক্ত হয়ে পড়েছে কৃষকদের জমি। যেদিকে চোখ যাবে কেবল কুচুরি পানা। জমিতে জলাবদ্ধতা ও কুচুরি পানায় ভরে যাওয়ার কারণে চাষাবাদ করতে পারছে না। ক্ষতিগ্রস্ত এক কৃষক পরিত্যক্ত জমিতে পুকুর খননের অনুমতি চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে আবেদন করেছেন।
উপজেলার গণিপুর গ্রামের কৃষক দুলাল হোসেন জানান, দুবিলায় তাঁর ও এলাকার কৃষকদের চাষাবাদের জমি রয়েছে। কয়েক বছর আগে তাঁদের জমির চারপাশে অপরিকল্পিক ভাবে পুকুর খনন করা হয়েছে। এর ফলে পুকুরের বাইরে থাকা আবাদি জমিগুলো অনাবাদি অবস্থায় থাকছে। বর্ষাকাল থেকে জমিতে পানি জমে থাকে। এছাড়াও সেখানে কচুরিপানায় ভরে যায়। এ কারণে দুই-তিন বছর থেকে জমিগুলো পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকছে। কৃষকেরা কোনা চাষাবাদ করতে পারছে না। পুকুরের ফাঁকে থাকা জমিগুলোতে কচুরিপানায় ভরে যেতে দেখা যায়। এছাড়াল জলাবদ্ধতা চোখে পড়ে। স্থানীয় কৃষকেরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, তাঁদের জমিগুলো অনাবাদি থাকছে। সেখানে মাছচাষ ছাড়া কোনো উপায় নেই। কৃষক দুলাল হোসেন জানান, তিনি গরীব। আগে তাঁর জমিতে চাষাবাদ হলেও এখন পরিত্যক্ত থাকছে। এখন মাছচাষ ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। তিনি পরিত্যক্ত জমিতে পুকুর খননের অনুমতি চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে আবেদন করেছেন।ওই এলাকার আরও ৩০-৪০জন কৃষক একই অভিযোগ করেন। তাঁরা জমিগুলো রক্ষার দাবি জানিয়েছেন। কৃষক দুলাল হোসেনের আবেদন পাওয়ার বিষয় নিশ্চিত করেছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দপ্তর। সূত্রটি জানায়, তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।



ফেসবুকে আমরা
নোটিশ