বরিশাল ব্যুরো : জমিতে সেচ দেওয়াকে কেন্দ্র করে মারধর, প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে খড়ের কুড়ে আগুন লাগিয়ে নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে সজল, মিন্টু তার স্ত্রী মেয়ে মিলি। এ ঘটনায় ভুক্তভোগ জুয়েল হাওলাদার বরিশাল মেট্রোপলিটন এয়ারপোর্ট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। সোমবার দুপুরে পাংশা বিমান বাহিনীর রাডারের দক্ষিণ পাশে ফাঁসলি জমি ধান ক্ষেতে পানি সেচ দিতে যায় জুয়েল জুয়েলকে লক্ষ্য করে সজল কিল ঘুসি লাথি মারে এতে আহত হয় জুয়েল পরে সজলের চাচতো ভাইসহ স্থানীয়রা উদ্ধার করে বরিশাল শেরে-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করান। একই সাথে এয়ারপোর্ট থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। থানায় অভিযোগ দেওয়ার পর
মরিয়া হয়ে ওঠে সজল কিভাবে জুয়েলকে ফাঁসানো যায় তারই ধারাবাহিকতায় তাদের নিজেদের খড়ের কুঁড়ে আগুন লাগিয়ে জুয়েলকে ফাঁসাতে চেষ্টা চালায় কিন্তু ফাঁসাতে পারেনি তখন জুয়েল এয়ারপোর্ট থানায় অবস্থানরত যার কারনে মিথ্যে নাটক সাজিয়ে জুয়েলকে ফাঁসাতে না পেরে সজল এখন পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হওয়ার ভয়তে পালিয়ে রয়েছে । এছাড়া এলাকাবাসী সজলের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে তারা এক এক করে সকলে মুখ খুলতে রাজি হয়ে সজলের ভয়াবহ কুকর্মের তথ্য ফাঁস করে দেয়। সজল হত্যা মামলার আসামি হওয়া সত্ত্বে তার ভয়ে অনেকেই মুখ খুলতে চাইনি। এখন সজলের অত্যাচার অতিষ্ট হয়ে সকলেই মুখ খুলতে শুরু করেছে। এমন কোন অপকর্ম নেই যা সজল করে না খুন, চুরি-ডাকাতি মাদক ব্যবসা সকল অপকর্মের সাথেই সজল জড়িত রয়েছে এলাকাবাসীর ভাষ্য। এদিকে মিন্টুর মেয়ে মিলি প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে নিজের কাপড় চোপড় ছিড়ে মিথ্যে ছিলননতা হানির বদনাম লটায়। বিগত দিনে মিন্টুর স্ত্রী আপন ভাসুর ছেলের বিরুদ্ধে ১১ বছর বয়সী শিশুর বিরুদ্ধে মিথ্যে ধর্ষণ মামলা দিয়ে হারানি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এখনো নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী জুয়েল বলে, অপরাধীদেরকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি জানায়।