বরিশাল ব্যুরো : আমেরিকান প্রবাসীর কাছে দাবিকিত ১০ লক্ষ টাকা চাঁদা না পেয়ে বরিশালের উজিরপুর উপজেলার বামরাইল ইউনিয়নের হস্তিসুন্ড ঈদগাহ মার্কেট সংলগ্ন বামরাইল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য ফারুক হোসেন বয়াতি বৃহস্পতিবার ৬ নভেম্বর গভীর রাতে নিজের পরিত্যক্ত টিনশেড ঘরে আগুন লাগিয়ে প্রতিপক্ষকে আমেরিকান প্রবাসী কবির মৃধাকে ফাঁসানোর পাঁয়তারা চালায় জালাল হাওলাদার, সুজন হাওলাদার, রানা,
নজরুল, জসিম, শহীদ সরদার, সবুজ বয়াতি, জাকির, সজল, হৃদয়, রাসেল, সুমন, বেল্লাল হাওলাদার, খোকন সালাম,রানা হাওলাদার ,আলাউদ্দিন, রবিউল, শাহীন, জুয়েল, জুগলুসহ তার সঙ্গপাঙ্গরা। অভিযোগ উঠেছে,আমেরিকান প্রবাসী কবির মৃধার বাড়িতে গিয়ে দেশীয় ধারালো অস্ত্র রামদা, চাপাতি নিয়ে ১৭ জুলাই বিকেলে
হামলা চালায়। এ ঘটনায় বরিশাল দ্রুত বিচার আদালতে ২২ জুলাই রুনু বেগম বাদী হয়ে ২১জনের নামে অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেন।এমামলা থেকে আসামিরা রেহাই পাওয়ার জন্য নিজের ঘরে আগুন লাগিয়ে প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর চেষ্টা করে। যা সংবাদ মাধ্যম ও প্রশাসনের লোকেরা বুঝতে পেরেছে। কিছু মিডিয়ায় সাংবাদিকদের ভুল বুজিয়ে প্রবাসী কবির মৃধা বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালায় যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন , উদ্দেশ্যে প্রণীত, হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য এ সংবাদ প্রকাশ করিয়াছেন। উক্ত প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন প্রবাসী কবির মৃধা। এদিকে চাঁদাবাজ অস্ত্র ধারী জালাল ও সুজন পর বামরাইল এলাকায় চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, ভূমিদস্যসহ বিভিন্ন অপকর্ম করে আসছে।যা কেহ ভয়ে মুখ খুলতে রাজি নয়। ওই বাহিনীর অত্যাচার অতিষ্ঠ প্রবাসীর পরিবারসহ অনেকের পরিবার। একাধিক মামলার জেল খাটা আসামি এবং নারায়ণগঞ্জের আওয়ামী লীগের দোসর শামীম ওসমানের অনুসারী ছিল। বিগত তো দিনে নারায়ণগঞ্জ বসে এই বাহিনী সদস্যরা চুরি চিন্তায় ডাকাতি ও ভাড়াটিয়া খুনি হিসাবে
কাজ করেছে। ৫ আগস্টের স্বৈরাচারী সরকার শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর ওই বাহিনীর সদস্যরা নিজ জন্মভূমি উজিরপুরে বামরাইল হস্তিসুন্ড দক্ষিণ মোড়াকাঠি গ্রামে এসে অস্ত্রধারী বাহিনী গরে তোলে। যার মধ্যে অন্যতম জালাল, সবুজ, রানা, নজরুল,সহিদ,রবিউল, সবুজ, ফারুক,জসিম,জুয়েল এরা সকলেই আওয়ামীলীগ রাজনীতির সাথে জড়িত। এলাকায় এমন কোন অপকর্ম নেই জাতারা না করে। তাদের অন্য কোন আয়ের উৎস নেই। চুরি,ডাকাতি,চাঁদাবাজি, ভূমি দস্যু প্রধান পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছে। একাধিক মামলার দাগি আসামি এবং অস্ত্র ধারী সন্ত্রাসী
হওয়া সত্যে ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে এলাকায় দিব্বি ঘুরে বেড়ায়। এ পেশাদার সন্ত্রাসীদের হাত থেকে মুক্তি এবং আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানায় প্রশাসনের কাছে প্রবাসী পরিবারের সদস্যরা।