মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১১:৩৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
বরিশাল সিভিল সার্জনের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন-মুলধারার সাংবাদিকদের ছাড়াই প্রেস কনফারেন্স সুখচর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ঘিরে আলোচনা; মোঃ সালাউদ্দিনকে নিয়ে স্থানীয়দের আগ্রহ ভুয়া ঠিকানায় চাকরি, নিয়োগ-বদলি বাণিজ্যের অভিযোগে আলোচনায় কারারক্ষী সুজন মিয়া—নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি সিডিএ কার্যালয়ের সামনের ফুটপাত দখলমুক্ত, কঠোর বার্তা চেয়ারম্যানের সিডিএ কার্যালয়ের সামনের ফুটপাত দখলমুক্ত, কঠোর বার্তা চেয়ারম্যানের চট্টগ্রামে র‍্যাবের অভিযানে পরিত্যক্ত বিদেশি রাইফেল উদ্ধার ঋণের চাপ সইতে না পেরে ঠাকুরগাঁওয়ে বৃদ্ধের আত্মহত্যার অভিযোগ গ্রেফতারের পরদিন চট্টগ্রাম কারাগারে হার্ট এ্যাটাকে যুবলীগ নেতার মৃত্যু ঝিনাইগাতীতে কৃষি পুনর্বাসন কর্মসূচির আওতায় কৃষকদের মাঝে উচ্চফলনশীল আমন, মরিচ বীজ ও সার বিতরণ ঝিনাইগাতীতে শিশু ইলিয়াছ হত্যা মামলার অন্যতম আসামি নাসির উদ্দিন র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার

অগ্নিকাণ্ডে সব হারানো প্রতিবন্ধী আবুল হোসেনের পাশে কুড়িগ্রাম চর উন্নয়ন কমিটি

আশরাফুল হক রুবেল কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি : কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ গাড়ুহাড়া গ্রামে অগ্নিকাণ্ডে ঘরবাড়ি ও গরু পুড়ে নিঃস্ব হয়ে পড়া বাক প্রতিবন্ধী আবুল হোসেনের পাশে দাঁড়িয়েছে কুড়িগ্রাম জেলা চর উন্নয়ন কমিটি।সোমবার দুপুরে জেলা চর উন্নয়ন কমিটির সভাপতি অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবু ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটিকে এক মাসের খাদ্য সহায়তা ও নগদ অর্থ প্রদান করেন।
সহায়তা প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন জেলা চর উন্নয়ন কমিটির সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক আশরাফুল হক রুবেল, সিনিয়র সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ খাজা শরীফ উদ্দিন রিন্টু, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আব্দুল আখের, কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি সিরাজুল ইসলাম, যাত্রাপুর ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান রহিমুদ্দিন হায়দার রিপন, ইউপি সদস্য জাহিদুল ইসলাম, লুৎফর রহমান, নজরুল ইসলাম, আব্দুর রাজ্জাক, এরশাদ আলীসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
গত ২৯ অক্টোবর গভীর রাতে অগ্নিকাণ্ডে আবুল হোসেনের বসতবাড়ি সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। আগুনে তাঁর দুটি গরুও ভস্মীভূত হয়। মুহূর্তের মধ্যে পথে বসে যায় বাক প্রতিবন্ধী এই কৃষক ও তাঁর পরিবার।আবুল হোসেনের স্ত্রী রহিমা বেগম জানান, পাঁচ শতক জমির উপর ছোট্ট ঘরেই তাদের বসবাস। দুই কন্যা সন্তানের বিয়ে হয়ে গেছে। স্বামী বাক প্রতিবন্ধী হলেও কৃষিকাজ করে কোনোমতে সংসার চালাতেন। সংসারের অনটন ঘোচাতে দুটি গরু লালন করছিলেন, যেগুলো ঈদে বিক্রি করে প্রায় আড়াই লাখ টাকা পাওয়ার আশা করেছিলেন। এজন্য তারা এক লাখ আট হাজার টাকা ঋণও নেন। কিন্তু অগ্নিকাণ্ডে সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।রহিমা বেগম বলেন,“সব শেষ হয়ে গেছে। ঘর নাই, গরু নাই, কিছুই নাই। এখন আমাদের চোখে শুধু অন্ধকার।”
তিনি সমাজের বিত্তবান ও সহৃদয় ব্যক্তিদের তাদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।
অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত আবুল হোসেনের পরিবারকে সহায়তা দেওয়ায় কুড়িগ্রাম জেলা চর উন্নয়ন কমিটির এই মানবিক উদ্যোগ স্থানীয় এলাকাবাসীর প্রশংসা কুড়িয়েছে।



ফেসবুকে আমরা
নোটিশ