শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ০৮:১১ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন ও নদী রক্ষা আদালত সুযোগে ধাপে ধাপে জ্বালানির দাম কমানো হবে: প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত দীর্ঘদিন পলাতক থেকেও শেষ রক্ষা হলো না ১৪ (চৌদ্দ) বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামী জহিরুলের, অবশেষে র‍্যাব-৮ কর্তৃক গ্রেফতার পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া থানার চাঞ্চল্যকর ইউসুফ হত্যা মামলার প্রধান অভিযুক্ত আরাফাত র‍্যাব-৮ কর্তৃক গ্রেফতার চৌদ্দগ্রামে আব্দুর রহমান ভূঁইয়া, জাহেরা খাতুন ও হাসিনা বেগমের মাগফিরাত কামনায় সেলাই মেশিন বিতরন। মধ্যনগরে সংবর্ধনা ও মতবিনিময় সভা চাটখিলে ৩ সন্তান রেখে মসজিদের মুয়াজ্জিনের সাথে কানাডা প্রবাসীর স্ত্রী উধাও, থানায় অভিযোগ উদ্ভাবকদের জন্য স্বল্প সুদে ঋণের উদ্যোগ নেওয়া হবে: ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল পূর্বধলায় এমপি মানসুরা আক্তারের পক্ষ থেকে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ চিলমারীতে ফের ব্রহ্মপুত্রের ডানতীর রক্ষা বাঁধের ধস, আতঙ্ক উপজেলাবাসী

বরিশালে বাড়িওয়ালাদের কাছে জিম্মি ভাড়াটিয়ারা

জামাল হোসাইন : বছর শেষ না হতেই বরিশালে ভাড়াটিয়াদের কপালে চিন্তার ভাঁজ, চোখে মুখে অসহায়ত্ব। নতুন বছর থেকে মালিকরা ‘ইচ্ছেমতো’ বাড়িয়ে দেন ভাড়া। এক্ষেত্রে ভাড়াটিয়ারা যেন নিরুপায়। আয়ের সিংহভাগ খরচ করে তারা এ নগরে থাকেন কেবল জীবিকার তাগিদে।নতুন বছরে ভাড়া বেড়ে যাওয়ার চিন্তায় বাসিন্দাদের কপালে ভাঁজ পড়েছে। তারা বলছেন, সবকিছুর দাম বাড়ছে, এর সঙ্গে বাড়িভাড়া বেড়ে গেলে এ শহরে থাকাই দায় হয়ে যাবে। এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, গত ২৫ বছরে বরিশালে বাড়িভাড়া বেড়েছে প্রায় ৪০০ শতাংশ। একই সময়ে নিত্যপণ্যের যে দাম বেড়েছে, সেই তুলনায় বাড়িভাড়া বাড়ার হার প্রায় দ্বিগুণ। বরিশালে ২৭ শতাংশ ভাড়াটিয়া আয়ের প্রায় ৩০ শতাংশ, ৫৭ শতাংশ ভাড়াটিয়া প্রায় ৫০ শতাংশ, ১২ শতাংশ ভাড়াটিয়া আয়ের প্রায় ৭৫ শতাংশ টাকা ব্যয় করেন বাড়িভাড়া পরিশোধে।বরিশাল নথুল্লাবাদ লুৎফর রহমান সড়ক এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে পরিবার নিয়ে ভাড়া থাকেন এমন একজন বেসরকারি চাকরিজীবী ব্যক্তি বলেন, বেতনের সিংহভাগ চলে যায় বাড়িভাড়া পরিশোধে। তুলনামূলক একটু কম ভাড়ায় পাব বলে অফিস থেকে অনেক দূরে বাসা নিয়েছি। তবুও ভাড়া নিয়মিত বাড়ছে।
১৪ হাজার টাকা বাড়িভাড়া হলেও গ্যাস, পানি, বিদ্যুৎ বিলসহ প্রায় ১৭ হাজার টাকা পড়ে যায়। বেতনের টাকায় বাড়িভাড়া, সংসার খরচ, বাচ্চার খরচ চালিয়ে নিতে খুব কষ্ট হয়ে যায়। অফিস, সন্তানের স্কুল এদিকে। তাই অন্য কোথাও গিয়ে বাসা নেওয়া একটু কঠিন। আরেকজন ভাড়াটিয়া বলেন, অসহায় ভাড়াটিয়ারা প্রতিনিয়তই বাড়ির মালিকদের কাছে নির্যাতিত হয়ে আসছেন। আমাদের পক্ষ নিয়ে কেউ কাজ করছেন না। ছয় মাস পর পর আবার নতুন বছর এলে এভাবেই মালিকরা বাড়িভাড়া বাড়িয়ে দেন। আমরা কোনঠাসা-অসহায় হয়ে পড়ছি। মালিকরা যদি এতটা লোভী না হয়ে, কিছুটা মানবিক হলে ভাড়াটিয়ারা কোনোভাবে টিকে থাকতে পারতেন।
বরিশালে ভাড়াটিয়ারা আজ নিষ্পেষিত। কোনো নিয়মনীতি না মেনে বাড়ির মালিকরা যা ইচ্ছা তা-ই করছেন। বরিশালে লাগামহীন বাড়িভাড়া রোধে প্রয়োজন আইনের সঠিক প্রয়োগ। ভাড়াটিয়াদের সমস্যা সমাধানে সিটি করপোরেশনের মনিটরিংয়ের পাশাপাশি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করতে হবে।



ফেসবুকে আমরা
নোটিশ