শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ০৭:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
চৌদ্দগ্রামে আব্দুর রহমান ভূঁইয়া, জাহেরা খাতুন ও হাসিনা বেগমের মাগফিরাত কামনায় সেলাই মেশিন বিতরন। মধ্যনগরে সংবর্ধনা ও মতবিনিময় সভা চাটখিলে ৩ সন্তান রেখে মসজিদের মুয়াজ্জিনের সাথে কানাডা প্রবাসীর স্ত্রী উধাও, থানায় অভিযোগ উদ্ভাবকদের জন্য স্বল্প সুদে ঋণের উদ্যোগ নেওয়া হবে: ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল পূর্বধলায় এমপি মানসুরা আক্তারের পক্ষ থেকে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ চিলমারীতে ফের ব্রহ্মপুত্রের ডানতীর রক্ষা বাঁধের ধস, আতঙ্ক উপজেলাবাসী মোল্লাহাটে কৃষকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি,পুষ্টি উন্নয়ন এবং কৃষিভিত্তিক উদ্যোক্তা সৃষ্টির লক্ষ্যে দিনব্যাপী,পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস,অনুষ্ঠিত। একটি মেয়ের মা হওয়ার গল্প” সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে হামলার শিকার তিন সাংবাদিক, যাত্রাবাড়ী থানায় অভিযোগ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবীর পৌর সুপার মার্কেটের দোকান বরাদ্দে উন্মুক্ত লটারি অনুষ্ঠিত।

চিলমারীতে ফের ব্রহ্মপুত্রের ডানতীর রক্ষা বাঁধের ধস, আতঙ্ক উপজেলাবাসী

হাবিবুর রহমান, চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রামের চিলমারীতে “ব্রহ্মপুত্র নদের ডানতীর রক্ষা বাঁধের কাঁচকোল (সড়কটারী) এলাকায়, আবারও তিনটি স্থানে ধস ও একাধিক স্থানে রাস্তার ফাটল সৃষ্টি হয়েছে। এতে নদের তীরবর্তী এলাকায় ভাঙন ও বন্যা আতঙ্কে আছেন উপজেলাবাসী।সরেজমিনে দেখা যায়, বাঁধের প্রায় আধা কিলোমিটার এলাকায় ১০, ১২ ও ৬ মিটার অংশের ব্লক পিচিং ধসে গেছে। এছাড়া অন্তত ১২টি স্থানে ফাটল দেখা দিয়েছেন। ঝুঁকিতে রয়েছেন প্রায় এক কিলোমিটার এলাকাসহ বাঁধের রাস্তা।
স্থানীয়দের অভিযোগ করেন, ৪৪৮কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ডানতীর রক্ষা প্রকল্পের কাজ ২০১৮সালে হলেও তখন থেকে একাধিক বার, ব্লক ধসের ঘটনা ঘটেছে কিন্তু এখন পর্যন্ত হয়নি স্থায়ী সমাধান। ফলে প্রতি বর্ষা মৌসুম এলেই আতঙ্কে থাকতে হয় এই এলাকার মানুষদের।
কাঁচকোল সড়কটারী এলাকার বাসিন্দা খতিব উদ্দিন বলেন, ডানতীর রক্ষা বাঁধ নির্মাণের পর আমরা নদী ভাঙন থেকে কিছুটা রক্ষা পেয়েছিলাম। কিন্তু কয়েক বছর ধরে বারবার ধসের ঘটনায় আমরা আবারও আতঙ্কিত হয়ে পড়েছি, কখন যেন ভেঙে যায়। পানি উন্নয়ন বোর্ড এখন পর্যন্ত তেমন কোন স্থায়ী সমাধান দিতে পারেনি। বাঁধটি ভেঙে গেলে আমরা সর্বস্ব হারিয়ে আবারও ভাঙন ও বন্যার কবলে পড়ে যায়।
স্থানীয় বাসিন্দা মানিক, খালেক, নুরজাহান বেগম ও নুর নাহার বেগম বলেন, প্রতিবার বর্ষা মৌসুম এলেই আমরা আতঙ্কে থাকি। এবারও বাঁধে ধসের খবর শুনে দিন-রাত উদ্বেগে কাটছে। দ্রত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে, আমাদের বসতভিটা ও ফসলি জমি রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে।এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান বলেন, জরুরি ভিত্তিতে জিওব্যাগ ডাম্পিং করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত অংশের স্থায়ী সংস্কারের জন্য একটি প্রকল্প প্রস্তাবনা অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে বলে জানান তিনি।



ফেসবুকে আমরা
নোটিশ