মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ০৭:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
বরিশাল সিভিল সার্জনের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন-মুলধারার সাংবাদিকদের ছাড়াই প্রেস কনফারেন্স সুখচর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ঘিরে আলোচনা; মোঃ সালাউদ্দিনকে নিয়ে স্থানীয়দের আগ্রহ ভুয়া ঠিকানায় চাকরি, নিয়োগ-বদলি বাণিজ্যের অভিযোগে আলোচনায় কারারক্ষী সুজন মিয়া—নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি সিডিএ কার্যালয়ের সামনের ফুটপাত দখলমুক্ত, কঠোর বার্তা চেয়ারম্যানের সিডিএ কার্যালয়ের সামনের ফুটপাত দখলমুক্ত, কঠোর বার্তা চেয়ারম্যানের চট্টগ্রামে র‍্যাবের অভিযানে পরিত্যক্ত বিদেশি রাইফেল উদ্ধার ঋণের চাপ সইতে না পেরে ঠাকুরগাঁওয়ে বৃদ্ধের আত্মহত্যার অভিযোগ গ্রেফতারের পরদিন চট্টগ্রাম কারাগারে হার্ট এ্যাটাকে যুবলীগ নেতার মৃত্যু ঝিনাইগাতীতে কৃষি পুনর্বাসন কর্মসূচির আওতায় কৃষকদের মাঝে উচ্চফলনশীল আমন, মরিচ বীজ ও সার বিতরণ ঝিনাইগাতীতে শিশু ইলিয়াছ হত্যা মামলার অন্যতম আসামি নাসির উদ্দিন র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার

সংসারে বউদের মঙ্গল কামনায়- ঘরে ঘরে পূজিত হয়-‘কার্তিক পুজো

সমরেশ রায় ও শম্পা দাস ,কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ : ১৩ ই নভেম্বর বৃহস্পতিবার, মাঝের কটা দিন বাদেই,ঘরে ঘরে পূজিত হবে কার্তিক পুজো, সংসারের বউদের মঙ্গল কামনায় এই পুজো হয়ে থাকে, এমনটাই রীতি চলে এসেছে। তাই কুমারটুলিতে চলছে তোড়জোর কার্তিক প্রতিমা শেষ করার কাজ।, শুধু কুমারটুলি পাড়ায় নয়, বাজারে বাজারে কার্তিক সাজিয়ে বসে বিক্রেতারা, তবে এখনো পর্যন্ত তেমনভাবে চোখে পড়েনি ক্রেতাদের, দুই একজন করে আসছে‌ কার্তিক প্রতিমা তিনটি। কুমারটুলি পাড়াতেও তেমন ভিড় চোখে পড়েনি। তবে মৃৎশিল্পী ও বিক্রেতারা জানালেন, একটু মাঝে দুদিন বাকি, তাই বেশিরভাগ প্রতিমা শনি রবিবার নিতে আসবেন। তবে এবারে কুমারটুলি পাড়ায় গিয়ে দেখা গেল, ভিন্ন রকমের কার্তিক তৈরি হয়েছে, এবারে কার্তিক একটি নতুন রূপে এসেছেন, মৃতশিল্পীরা তৈরি করেছেন, বেশকিছু কার্তিক ঠাকুর তৈরি করেছেন গোপাল ঠাকুরের আদরে, মৃৎশিল্পীরা জানালেন, উদ্যোক্তারা যা চেয়েছেন আমাদেরকে করতে হয়েছে, আবার দেখা গেছে জামাই কার্তিক রূপে, এ বারের কার্তিকের বিশেষ পোশাক পাঞ্জাবি,, ধুতি পড়া। মৃৎশিল্পীরা জানালেন এখন উদ্যোক্তাদের উপর নির্ভর করেই প্রতিমা তৈরী ও পোশাক ব্যবহার হচ্ছে। উদ্যোক্তারা যেমন চাইবেন আমাদেরকে তেমন তৈরি করতে হবে।জানা যায় কার্তিক পুজো করা হয় সংসারে সন্তান লাভের আশায়, যাদের সংসারে বউদের ছেলে হয় না। তাদের ঘরেই নাকি কার্তিক দিয়ে আসেন, আর এই কার্তিক পুজো করলে নাকি এই সংসারে ছেলে আসে এমনটাই রীতি বাঙ্গালীদের মধ্যে চলে আসছে,

তবে এটাও জানা যায়, কাত্তিক ঠাকুর কেউ নিজে থেকে বাড়িতে আনে না, সাধারণত কারো বন্ধুবান্ধব, পাড়ার ও ক্লাবের ছেলেরা, এই কার্তিককে তাদের বাড়িতে ফেলে আসেন পুজোর আগের দিন রাতের অন্ধকারে, যাদের ছেলে হয় না, এমনটাও জানা গেছে, যে বাড়িতে কার্তিক দেওয়া হয় তাদেরকে রীতিনীতি মেনে বছর পুজো করতে হয় মঙ্গল কামনায়, এই কার্তিক পুজোকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন আয়োজনের ও ব্যবস্থা করতে হয় বলেই জানালেন, যদি কেউ কার্তিককে অপমান না করেন শোনা যায়, তাদের সংসারে অমঙ্গল নেমে আসে, তাই কেউ কার্তিক ঠাকুরকে অবমাননা করে না। ধুমধাম করে পুজো করে থাকেন। এবং তিন বছর যাবত এই পুজো করতে হয় বলে জানান।
ইদানিং দেখা গেছে, শুধু ঘরে ঘরেই কার্তিক পুজো হয় তা নয়, বহু ক্লাবে দেখা গেছে কার্তিক পুজো করতে, তাই ক্লাবে ক্লাবে কার্তিক পুজোর আয়োজন চলছে। কোথাও প্যান্ডেল তৈরির কাজ আবার কোথাও বা কার্তিক আনার কাজ, ধুমধাম করে চলে কার্তিক পুজো। অন্যান্য পূজোর মতই এই কার্তিকেরও শুভ সূচনা করেন বিভিন্ন মন্ত্রী থেকে বিধায়কেরা পুজোর আগে দিন।। বহূ জায়গা থেকে দর্শকরা ভিড় করেন ক্লাবে ক্লাবে কার্তিক পুজো দেখতে। তাই কুমারটুলি পাড়াতেও বেশ কয়েকটি বড় কার্তিক তৈরি হতে দেখা গেছে। মৃৎ শিল্পীরাও জানালেন হ্যাঁ এখন বহু ক্লাবে এই কার্তিক পুজো চালু হয়েছে।। এবং আগের থেকে অনেক কার্তিক পুজো বেড়েছে,



ফেসবুকে আমরা
নোটিশ