প্রেস বিজ্ঞপ্তি : র্যাব-৮, বরিশাল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অদ্য ২৬ আগস্ট ২০২৫ইং তারিখ আনুমানিক ১৭২০ ঘটিকায় পটুয়াখালী জেলার বাউফল থানাধীন নওমালা ইউনিয়নের ভাঙ্গাব্রিজ নামক তিন রাস্তার মোড় হতে অভিযান পরিচালনা করে চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার তদন্তে প্রাপ্ত অন্যতম পলাতক আসামী মোঃ সেলিম (৪৫), পিতা-সামসুল হক,সাং- কাশিপুর (পশ্চিম পাড়া), থানা-কালিগঞ্জ, জেলা-ঝিনাইদহ’কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, বাদী মোহাম্মদ আলী (৪০) ও বাদীর ছোট ভাই ভিকটিম আবু তালেব (২৮) গরীব খেটে খাওয়া মানুষ। বিভিন্ন স্থানে তারা বানর খেলা দেখাইয়া সংসার চালাত। আসামীও বিভিন্ন স্থানে বানর খেলা দেখায়। গত ইং-০২/০৪/২০২৫ খ্রিঃ তারিখ বিকাল অনুমান ৫.৩০ ঘটিকার সময় বাদীর ছোট ভাই আবু তালেব তার স্ত্রী সন্তান নিয়ে কাশিপুর গ্রামে শশুর-মোঃ ছবেদ আলী (৬০), এর বাড়ীতে বেড়াইতে যায়। একই তারিখ রাত্র অনুমান ৯.৩০ ঘটিকার সময় ভিকটিম রাতের খাওয়া দাওয়া শেষে তার শশুর বাড়ীতে ঘুমিয়ে পড়ে। আসামী ও বাদীর পেশা একই হওয়ায় ভিবিন্ন সময়ে আসামী বাদীর সাথে শত্রুতা মূলক আচরণ করত। তারই ধারাবাহিকতায় আসামী মোঃ রুবেল হোসেন গত ইং-০৩/০৪/২০২৫ তারিখ রাত অনুমান ৩.১৫ ঘটিকার সময় কালীগঞ্জ থানাধীন কাশিপুর গ্রামে আবু তালেব এর শশুর বাড়ীতে আসিয়া বাদীর ছোট ভাই ভিকটিম আবু তালেবকে ডাক দিলে তার শশুর ঘর থেকে বের হয়ে আসামীকে ডাকাডাকির কারণ জিজ্ঞেসা করাকালে ভিকটিম আবু তালেবও ঘর থেকে বের হয়ে আসে। ভিকটিম বের হওয়ার সাথেই আসামী মোঃ রুবেল হোসেনের হাতে থাকা লোহার একমাথা সূচালো রড দিয়ে এলোপাথারীভাবে আবু তালেব কে হত্যার উদ্দেশ্যে বুকের বাম পাশে খাচার উপর ও ইন্যাপিঠের ডান পাশে আঘাত করে গুরত্বর রক্তাক্ত যখম করে। উক্ত সময় আবু তালেব এর শশুর মোঃ ছবেদ আলী (৬০) ঠেকানোর জন্য আগাইয়া গেলে আসামী মোঃ রুবেল এর হাতে থাকা লোহার একমাখা সূচালো রড দিয়ে তাহাকেও আঘাত করে বাম পাশে খাচার নিচে ও পেটের সামনের দিকে গুরত্বর রক্তাক্ত জখম করে।পরবর্তীতে গুরত্বর আহত অবস্থায় বাদীর ভাই ও ভাইয়ের শশুর কে ঘটনাস্থলে উপস্থিত লোকজনের সহায়তায় রিক্সা যোগে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ঝিনাইদহ নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার পরীক্ষা নীরিক্ষা করে রাত ৪.১৫ ঘটিকার সময় বাদীর ভাই আবু তালেব কে মৃত ঘোষনা করেন। উক্ত বিষয়ে ভিকটিমের ভাই মোহাম্মদ আলী (৪০) ঝিনাইদহ জেলার কালিগঞ্জ থানার একটি মামলা দায়ের করেন। গ্রেফতারকৃতকে পরবর্তী আইননানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য পটুয়াখালী জেলার বাউফল থানায় হস্তান্তর করা হয়।