মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৪৩ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
শুকতাইল ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে উন্নয়ন নিয়ে ফেইচবুকে গুজবের জবাব: রাস্তা-ঘাট ও বিভিন্ন প্রকল্প পরিদর্শনের আহ্বান ৮০তম স্বাধীনতা দিবসের প্রস্তুতি এবং পরিদর্শনে কলকাতা পুলিশ কমিশনার ও বোম স্কোয়াড কুকুর। আদমদীঘি থানার পুলিশ কনেষ্টবলের অবসর জনিত রাজকীয় দিয়ায় সংবর্ধনা আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সামনে রেখে ৩নং ভাঙ্গাবাড়ী ইউনিয়নে গণসংযোগ করেন চেয়ারম্যান পদ পার্থী জুপিটার তিস্তা মহাপরিকল্পনার পাইলট প্রকল্পের কাজ অল্প কিছুদিনের মধ্যেই শুরু হবে: পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী বাঁশখালীতে বন্যায় ১১ হাজার ঘর ক্ষতিগ্রস্ত, নতুন ঘর পাচ্ছে ১০০ পরিবার ঝিনাইগাতীতে বনের ভেতর ১৬ লাখ টাকার ভারতীয় মদ জব্দ তালায় বজ্রপাতে ব্যাবসায়ী নিহত শুকতাইল ইউনিয়নে চেয়ারম্যান রানা মোল্লার গাড়িবহর নিয়ে বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন, জনগণের সঙ্গে মতবিনিময় সৌদিআরবে ওমরাহ হজ্জে নতুন নিয়মে চারদেশ

শুকতাইল ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে উন্নয়ন নিয়ে ফেইচবুকে গুজবের জবাব: রাস্তা-ঘাট ও বিভিন্ন প্রকল্প পরিদর্শনের আহ্বান

ফয়জুল ইসলাম লিমন,গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি: : গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ৩ নম্বর শুকতাইল ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কেকানিয়া এলাকায় চেয়ারম্যান মোহাম্মাদ রানা মোল্যার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বিভিন্ন ধরনের মন্তব্য ও তথ্য ছড়িয়ে পড়াকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা তৈরি হয়েছে।এ বিষয়ে চেয়ারম্যান রানা মোল্যার ভাইপো সজীব মোল্লা এক বক্তব্যে দাবি করেছেন, ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে একটি মহল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর ও অসত্য তথ্য প্রচার করছে। একই সঙ্গে তিনি এলাকার বাসিন্দাদের সরেজমিনে বিভিন্ন উন্নয়নকাজ পরিদর্শন করে বাস্তবতা যাচাই করার আহ্বান জানিয়েছেন।
সজীব মোল্লার দাবি, ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কেকানিয়া এলাকায় চেয়ারম্যানের উদ্যোগে বিভিন্ন সময়ে রাস্তা, ঘাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও জনসেবামূলক অবকাঠামোর উন্নয়ন করা হয়েছে। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী উন্নয়নকাজগুলোর মধ্যে রয়েছে—
১. কেকানিয়ায় কামাল শেখের পুকুরে ঘাটলা নির্মাণ।২. ১০৮ নম্বর কেকানিয়া আব্দুল্লাহ মিয়ার স্কুলে বালু ভরাট।৩. কেকানিয়া পাকা রাস্তা থেকে ক্লিনিক পর্যন্ত ইটের সলিং নির্মাণ।৪. মানু শেখের বাড়ি পর্যন্ত ইটের সলিং নির্মাণ।৫. রিয়াজ শরীফের বাড়ি পর্যন্ত ইটের রাস্তা নির্মাণ।
৬. হাফেজ নাসির শেখের বাড়ি পর্যন্ত ইটের রাস্তা নির্মাণ।৭. কেকানিয়া পাকা রাস্তা থেকে খাঁ বাড়ি পর্যন্ত ইটের সলিং নির্মাণ।
৮. মীরে বাড়ি থেকে মামুন মীরের বাড়ি পর্যন্ত ইটের রাস্তা নির্মাণ।৯. লিয়াকত মীরের বাড়ি পর্যন্ত ইটের রাস্তা নির্মাণ।
১০. কেকানিয়ায় আসাদ শেখের বাড়ি পর্যন্ত ইটের রাস্তা নির্মাণ।১১. কেকানিয়া পাকা রাস্তা থেকে মাহাবুব শরীফের বাড়ি পর্যন্ত আরসিসি রাস্তা নির্মাণ।১২. কেকানিয়া পাকা রাস্তা থেকে মিজানুর শেখের বাড়ি পর্যন্ত আরসিসি রাস্তা নির্মাণ।১৩. লায়েব শিকদারের বাড়ি পর্যন্ত আরসিসি রাস্তা নির্মাণ।১৪. কেকানিয়া মাদ্রাসায় একটি খাট প্রদান।১৫. তালার হাটে একটি ইটের রাস্তা নির্মাণ।১৬. হাটের চারপাশে চারটি টিউবওয়েল স্থাপন।এছাড়াও বিভিন্ন এলাকায় রিং কালভার্ট নির্মাণ, মাটির রাস্তা তৈরি, মসজিদের মাহফিলে সহযোগিতা, বয়স্ক ভাতা ও বিধবা ভাতা প্রদানে সহায়তাসহ বিভিন্ন ধরনের জনসেবামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনার দাবি করা হয়েছে।সজীব মোল্লা আরও দাবি করেন, ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের বিভিন্ন নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ট্যাক্স সংক্রান্ত বিষয়েও সুবিধা দেওয়া হয়েছে। তার ভাষ্য, এত উন্নয়ন ও সেবা কার্যক্রমের পরও যদি কেউ দাবি করেন এলাকায় কোনো উন্নয়ন হয়নি, তাহলে সেটি বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
তিনি বলেন, “ফেসবুকে কে কী বলল, সেটি না দেখে আপনারা নিজেরাই সরেজমিনে রাস্তাগুলো পরিদর্শন করুন। বাস্তবে উন্নয়নকাজ হয়েছে কি না, তা আপনারাই যাচাই করুন।এ সময় তিনি স্থানীয় গ্রামবাসীকে কোনো পক্ষের প্রচার বা গুজবে কান না দিয়ে সরেজমিনে তথ্য যাচাই করার আহ্বান জানান।সজীব মোল্লার বক্তব্য অনুযায়ী, একজন জনপ্রতিনিধির পক্ষে একই সঙ্গে হাজার হাজার মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করা সহজ নয়। তবে উন্নয়নকাজের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে হলে বাস্তব কাজের মূল্যায়ন করা প্রয়োজন বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
তিনি আরও বলেন, “একজন মানুষ ১৩ হাজার মানুষের মন রক্ষা করতে পারে না। তবে এলাকার উন্নয়নে কে কী কাজ করেছেন, সেটি জনগণই সবচেয়ে ভালোভাবে মূল্যায়ন করতে পারেন।স্থানীয়দের প্রতি তার আহ্বান—কেকানিয়া এলাকার উল্লেখিত রাস্তাঘাট ও স্থাপনাগুলো সরেজমিনে পরিদর্শন করে উন্নয়নকাজের বাস্তবতা যাচাই করা এবং ভবিষ্যতে এলাকার উন্নয়নে যোগ্য নেতৃত্বকে মূল্যায়ন করা।
তবে ফেসবুকে ছড়ানো অভিযোগ ও চেয়ারম্যানের পক্ষে দেওয়া এসব দাবির বিষয়ে স্বাধীনভাবে সরকারি নথি বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য যাচাই করা হয়নি। ফলে উন্নয়নকাজগুলোর বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান, অর্থের উৎস ও প্রকল্পের ব্যয় সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের তথ্য পাওয়া গেলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।



ফেসবুকে আমরা
নোটিশ