প্রেস বিজ্ঞপ্তি :র্যাব প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বিভিন্ন ধরণের অপরাধীদের গ্রেফতারের ক্ষেত্রে অগ্রনী ভূমিকা পালন করে আসছে। সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কয়েকটি চাঞ্চল্যকর হত্যার মত নেক্কারজনক ঘটনার সাথে জড়িত আসামীদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে আটক করে আইনের আনতে সক্ষম হয়েছে র্যাব।
র্যাব-৮, সিপিএসসি, বরিশাল এবং র্যাব-১০, সিপিসি-২, মুন্সিগঞ্জ এর একটি যৌথ আভিযানিক দল গত ২৪ জুলাই ২০২৫ ইং তারিখ ১৬৪৫ ঘটিকার সময় ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ থানাধীন কোমলগঞ্জ বাজার সংলগ্ন নদী পথে অভিযান পরিচালনা করে পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়া থানার চাঞ্চল্যকর জোড়া খুন মামলার প্রধান অভিযুক্ত মোঃ ওবায়দুল হক@বাদল খান (৪৫), পিতা-মৃত আব্দুল আজিজ খান, সাং-ধাওয়া, ০১নং ওয়ার্ড, থানা-ভান্ডারিয়া, জেলা-পিরোজপুর’কে গ্রেফতার করে । গ্রেফতারকৃত অভিযুক্ত মোঃ ওবায়দুল হক@বাদল খান গত ০৫/০৫/২০২৫ তারিখ ২২.০০ হতে ২৩.০০ ঘটিকার মধ্যে অভিযুক্তের চতুর্থ স্ত্রী ভিকটিম মৃত চম্পা বেগম (৩৫) এবং শাশুড়ি ভিকটিম মৃত বিলকিস@বিলু(৭০) কে বিবাহের ২০/২২ দিন পর অভিযুক্তের নিজ বসত বাড়ি পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়া থানাধীন ধাওয়া গ্রামে বিল্ডিং ঘরের ভেতর ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপিয়ে হত্যা করে। এসময় অভিযুক্ত তার ২য় স্ত্রীর ছেলে ইয়াছিন(১০) কে ঘুমন্ত অবস্থায় টেনে নিয়ে বাথরুমে বালতির পানিতে চুবিয়ে মারার চেষ্টা করে। ইয়াছিন কোন রকমে অভিযুক্তের কাছ থেকে দৌড়ে পালিয়ে প্রতিবেশীদের ঘটনাটি জানালে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে এসে দেখতে পায় মৃত দেহে অগ্নি সংযোগ করা হয়েছে। প্রতিবেশীরা আগুন নিভিয়ে পুলিশে খবর দিলে ভান্ডারিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে লাশ ময়না তদন্তের জন্য প্রেরণ করেন। উল্লেখিত ঘটনায় মো: শানু খান বাদী হয়ে পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।উক্ত জোড়া খুনের ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে এবং বিভিন্ন অনলাইন ও প্রিন্ট মিডিয়া ঘটনাটি প্রচার করে। উক্ত ঘটনাটি র্যাব-৮, বরিশালের নজরে আসলে হত্যাকান্ডে জড়িতদের আইনের আওতায় নিয়ে আসতে গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি করে। এরই প্রেক্ষিতে র্যাব-৮ এবং র্যাব-১০ যৌথ অভিযান পরিচালনা করে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারকৃত অভিযুক্তকে মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগর থানায় পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়।