রফিকুল ইসলাম,দেবহাটা সাতক্ষীরা প্রতিনিধিঃ রক্ষক হয়ে ভক্ষকের ভূমিকায় ব্যক্তি স্বার্থে ক্ষমতার অপব্যবহার করে সাতক্ষীরা কালীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে, সাবেক প্রধান শিক্ষক আলাউদ্দিনের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের জায়গা কোটি টাকায় বিক্রির ঘটনার অভিযোগের তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তা আব্দুস সেলিম বললেন, সরকারি সম্পত্তি উপজেলা প্রশাসন,প্রাথমিক শিক্ষা মন্ত্রণালয়, আদালতের আদেশ ছাড়া কোন অবস্থাতেই বিক্রি করা আইনগত অপরাধ এবং ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবং ম্যানেজিং কমিটির সদস্য সচিব হয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত ছাড়া কিছু করার ক্ষমতা নাই । সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের শ্রীধর কাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এর নামে দলিল কৃত ৪০ শতক জমি সদ্য অবসর গ্রহণকারী প্রধান শিক্ষক আলাউদ্দিন কোটি টাকায় বিক্রি ঘটনার অভিযোগে সাতক্ষীরা জিলা শিক্ষা কর্মকর্তার নির্দেশে গঠিত তদন্ত কমিটির তদন্ত কর্মকর্তা আশাশুনি উপজেলার সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুস সেলিম গত বুধবার বেলা ১২ টার সময় স্কুল প্রাঙ্গণে তদন্ত কাজ সম্পন্ন করেন। বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের শ্রীধর কাটি গ্রামের শেখ সফির উদ্দিনের ছেলে সিদ্দিকুর রহমানের অভিযোগের ভিত্তিতে এ তদন্ত কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।এ বিষয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুস সেলিম সাংবাদিকদের জানান আমি কাগজপত্র অনুযায়ী তদন্ত করে সঠিক রিপোর্ট উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট দাখিল করবো।এলাকাবাসীর পক্ষে সাবেক ইউপি সদস্য সিদ্দিকুর রহমান গত ২৭ জুন দুর্নীতি দমন কমিশন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। উক্ত অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রধান শিক্ষক আলাউদ্দিন নিজের অপকর্ম ঢাকার জন্য সাংবাদিকদের ভুল বুঝিয়ে মিথ্যা তথ্য দিয়ে পত্রিকায় মিথ্যা বানোয়াট প্রতিবেদন তৈরি করে নেয় নিজে বাঁচার জন্য। তদন্ত কর্মকর্তা তদন্ত কালে থলের বিড়াল বাহির করে দিলে এখন আলাউদ্দিনের দৌড়ঝাপ শুরু হয়েছে