বরিশাল ব্যুরো:সংখ্যালঘু পরিবারের গৃহবধূকে ধর্ষণের চেষ্টা, প্রতিবাদ করলে মার ধর হত্যার হুমকি। অভিযোগ করতে সাহস পায় না। আশপাশের লোকজন ভয়ে মুখ খুলতে রাজি না। ঘটনাটি বরিশাল উজিরপুর গুঠিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম নারায়নপুর গ্রামের অঞ্জনা রানী দত্তের বাড়িতে শুক্রবার (১৫ নভেম্বর) সকালে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে সাংবাদিকরা তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে তাদের উপর ও হামলার চেষ্টা চালায় আজিজ বাহিনীর ডান হাত মামুন, জসিম সহ সংগপাঙ্গরা। ঘটনাটি ভিন্নখাতে নিয়ে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে।পশ্চিম নারায়নপুর গ্রামে অঞ্জনা রানী দত্ত ছেলে,ছেলের বউকে নিয়ে বসবাস করে। প্রতিবেশী আজিজ বাহিনীর প্রধান হোতা আজিজ তাদের একমাত্র সহয় সম্বল বসত ভিটা থেকে উচ্ছেদের পাঁয়তারা দীর্ঘদিন পর্যন্ত করে আসছে। অসহায় পরিবারের জমিটুকুলিখে নেওয়ার জন্য নিষ্ঠুর নির্যাতন জুলুম অত্যাচার এমন কোন পন্থা নেই আজিজ করেনি। অঞ্জনা রানী পরিবারদের বাড়িছাড়া করার জন্য প্রতি নিহত নির্যাতন চালায়। অঞ্জনা রানী ছেলে অরুণ বরিশাল নগরীর নতুন বাজার তরকারি বিক্রেতা শুক্রবার সকালে অরুণ বরিশাল চলে আসলে বাড়িতে অরুণের মা অঞ্জনা রানী ও স্ত্রীকে রেখে আসে। সকাল ৯ টায় প্রতিবেশী লম্পট, মাদক ব্যবসায়ী আজিজ অঞ্জনা রানীর ছেলের বউকে একা পেয়ে ধর্ষণ করার উদ্দেশ্যে ঝাপটে ধরে। গৃহবধূর ডাক চিৎকার করলে লম্পট আজিজ পালিয়ে যায়। সাংবাদিকরা খবর পেয়ে ওই বাড়িতে গিয়ে তথ্য সংগ্রহকালীন ভুক্তভোগী সাক্ষাৎকার নেওয়ার সময় আজিজের স্ত্রী এসে বাঁধা দেয়। তখন আজিজের ডান হাত বাম হাত বিএনপি’র নাম ভাঙ্গিয়ে জসিম, মামুন এসে হুমকি দিয়ে বলে সাংবাদিকরা এই নিউজ করতে পারবে না এবং পেশাগত কাজে আসতে পারবে না। আজিজের বিচার এদেশের কোন লোক করতে পারবে না বলে হুংকার দিয়ে চেষ্টা চালায়। সাংবাদিকরা তথ্য সংগ্রহ করে শিমুলতলা আসলে সেখানে বসে সাংবাদিকদের গাড়ি আটকিয়ে ভুক্তভোগী দেওয়া বক্তব্য ক্যামেরা মেমোরি কার্ড ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালায়। এই ঘটনায় নির্যাতনের শিকার সংখ্যালঘুপরিবারের সদস্যরা থানায় অভিযোগ করতে সাহস পায় না। কারণ বিগত দিনে নির্যাতনের শিকার হওয়ার পরে থানায়, সেনাবাহিনীর কাছে, বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজির কাছে অভিযোগ করেও কোন সুফল পায়নি। বরং নির্যাতনের মার্তা কয়েক গুণ বাড়ি দেয় আজিজ বাহিনীর প্রধান হোতা আজিজ হাওলাদার। আজিজ বাহিনীর কাজ, ওই এলাকায় মাদকের সিন্ডিকেট, ডাকাতি, চুরি,ছিনতাই সহ জঘন্যতম অপরাধ করে যাওয়া। এতে করে আইন-শৃঙ্খলার চরম অবনতি কথা বলে সুশীল সমাজ। ওই এলাকা থেকে অপরাধ নির্মূল করা না গেলে সংখ্যালঘু পরিবারের মতো অনেক পরিবারই আজিজ বাহিনীর সদস্য দ্বারা জুলুম অত্যাচার নির্যাতনের শিকার হবে।