প্রেস বিজ্ঞপ্তি : র্যাব প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই খুন, ধর্ষন, ডাকাতি, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজি, মজুতদারি, মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িতদের গ্রেফতারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। গোয়েন্দা নজরদারী ও আভিযানিক কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় এ ধরনের অপরাধ নিয়ন্ত্রণে র্যাব ইতিমধ্যেই বিশেষ সফলতা অর্জনে সক্ষম হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় র্যাব-৮, বরিশাল ও র্যাব-৩, ঢাকা এর একটি যৌথ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অদ্য ১১ মে ২০২৬ইং তারিখ ঝালকাঠি জেলার নলছিটি থানার হত্যা মামলার এজাহারনামীয় ৩ জন অভিযুক্ত ১) মোঃ বেল্লাল হাওলাদার, ২) মোঃ শাহ আলম হাওলাদার, ৩) মোঃ হারুন হাওলাদার, সর্ব পিতা-মৃত ইসমাইল হাওলাদার , সাং-শংকরপাশা, থানা-নলছিটি, জেলা-ঝালকাঠি’দেরকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৮, বরিশাল এবং র্যাব-৩, ঢাকা এর একটি চৌকস আভিযানিক দল।এজাহারের বিবরণে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত অভিযুক্ত ১) মোঃ বেল্লাল হাওলাদার, ২) মোঃ শাহ আলম হাওলাদার, ৩) মোঃ হারুন হাওলাদার সহ অন্যান্য অভিযুক্তরা পূর্ব শত্রুতার জের ধরে পরষ্পর যোগসাজসে গত ০৫ মার্চ ২০২৬ তারিখ সকাল ০৭.৩০ ঘটিকায় ভিকটিম ও তার ভাই মোটরসাইকেল যোগে নলছিটি থানাধীন পোলেরহাট বাজার থেকে বাড়িতে আসার সময় শংকরপাশা সাকিনস্থ জনৈক কবির মুন্সীর বাড়ির সামনে পৌছাঁলে বেআইনী জনতাবদ্ধে তাদের পথরোধ করে লোহার রড, শাবল, লাঠিসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ভিকটিম ও তার ভাইকে হত্যার উদ্দেশ্যে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে জখম করে। এসময় তাদের ডাক চিৎকারে ভিকটিমের মা ও স্ত্রী এগিয়ে আসলে তাদের পরনে থাকা চেইন, নগদ টাকা ও অন্যান্য জিনিসপত্র চুরি করে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে, গুরুতর আহত ভিকটিম’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করে। উল্লেখিত ঘটনায় ভিকটিমের মা বাদী হয়ে ঝালকাঠি জেলার নলছিটি থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। উক্ত ঘটনার পর থেকে অপরাধীরা অত্যন্ত চতুরতার সাথে এলাকা ত্যাগ করে আত্মগোপনে চলে যায় এবং তাদের অবস্থান পরিবর্তনের মাধ্যমে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে। কিন্তু র্যাব-৮, বরিশাল এবং র্যাব-৩, ঢাকা এর একটি চৌকস আভিযানিক দল অভিযুক্তদের অবস্থান নিশ্চিত হয়ে তাদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারকৃত অভিযুক্তদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য ডিএমপির শাহবাগ থানায় হস্তান্তর করা হয়।