মালিকুজ্জামান কাকা : যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশের সাজিয়ালি মৌজার জমি মালিকরা সংবাদ সম্মেলন করেছেন। মঙ্গলবার ২৫ নভেম্বর দুপুরে প্রেসক্লাব যশোরে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। জমি অধিগ্রহণের নামে বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষ তাল বাহানা করছে এই অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলনের ডাক দেওয়া হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, আব্দুল্লাহ আল মামুন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, নূর ইসলাম, সাইফুল ইসলাম, হাসান আলী, আফজালুর রহমান, সাইফুল্লাহ আল মহামুদ, আসাদুজ্জামান, হাকিম আলী, সাইফুল ইসলাম বাবুসহ শত জমি মালিক।
ভুক্তভুগি জমি মালিকরা জানান, প্রয়োজনে আমরা রাস্তায় প্রতিবাদী অবস্থান কর্মসূচি পালন করবো। যশোর সদর উপজেলায় ঐ জমির অবস্থান।
৩৫ একর জমি আগে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের সময় অধিগ্রহণ করা হয়। এখন নতুন করে আরো ৬৫ একর জমি বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে অধিগ্রহণ করা হবে। কিন্ত তাদের জমি ব্যাতিরেকে অন্য মৌজায় জমি অধগ্রহণে সচেষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষ।
জমি মালিকরা জানান, বেলতলা গার্লস স্কুল করা হয়। পরে স্কুলটি তাদের দিয়েছি। ২০ বছর ধরে সজলপুর, জগহাটি, কমলাপুরসহ কয়েকটি গ্রামের মানুষ ভুক্তভুগি। তাদের ব্যাবঋত কৃষি মাঠে যশোর বিজ্ঞান ও কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হয়।জমি মালিকরা জানান, একজন ব্যাক্তিকে খুশি করতেই বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষ দূরে একটি মৌজায় জমি অধিগ্রহণে সচেষ্ট। এর পক্ষে তারা জমির কম মূল্য উল্লেখ করছে। আমরা জমির মূল্য নয় বরং তাদের জমি অধিগ্রহণ করা হোক এই দাবি। এই যৌক্তিক দাবি এড়িয়ে অন্যত্র জমি অধিগ্রহণ হতে দেওয়া হবে না। অন্য মাঠে জমি নেওয়া আদতে যা অযৌক্তিক। অথচ আমরা ১৫০ বিঘা জমি নিয়ে ভুক্তভুগি। ঐ জমি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাবে চাষাবাদে অনুপযুক্ত।