মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ০৭:৩০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
বাগেরহাটের মোল্লারহাট থানার মানবপাচার দলের মূল হোতা আল আমিনকে র‌্যাব-৮ কর্তৃক গ্রেফতার। পীরগঞ্জে আগুন ও ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা, ২০ পরিবার পেল ঢেউটিন ও নগদ অর্থ চাঞ্চল্যকর ডাকাতি মামলার পলাতক ডাকাত দলের নেতা লিটনকে পটুয়াখালী থেকে গ্রেফতার করে র‌্যাব -৮। চাঁপাইনবাবগঞ্জে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের আয়োজনে মহান মে দিবস পালিত চাঁপাইনবাবগঞ্জে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান মে দিবস পালিত ঝিনাইগাতীতে ভ্রাম্যমাণ মৃত্তিকা ল্যাব ‘ব্রহ্মপুত্র’: মাটি পরীক্ষায় মিলছে সুষম সার ব্যবহারের দিকনির্দেশনা চট্টগ্রামে ৭০ লাখ টাকার বিদেশি মদ জব্দ মহানন্দা সেতু টোলমুক্ত করার দাবিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জে মানববন্ধন প্রেমঘটিত বিরোধে ঝিনাইগাতীতে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ: আহত ৩, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক ২ চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা: জনগণের কাছে ক্ষমা চাইলেন মেয়র শাহাদাত

বগুড়ায় পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রুগির ভুল রিপোর্ট দেওয়ার অভিযোগ

বায়েজিদ হোসেন,ব্যুরো প্রধান, বগুড়া : বগুড়ায় পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভুল রিপোর্ট দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বগুড়া শিবগঞ্জ উপজেলার গুজিয়া এনায়েতপুর থেকে গত ১৯ ডিসেম্বর ২০২৪ ইং তারিখে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন মোছাঃ সুইটি খাতুন (৩০) নামের এক গর্ভবতী নারী তার শারীরিক অবস্থা খারাপ হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে আল্ট্রাসনোগ্রাম করতে বলেন। ডাক্তারের কথা অনুযায়ী ওই রোগী তার ভাগিনা মুশফিক কে সঙ্গে করে নিয়ে যায় আল্ট্রাসনোগ্রাম করার জন্য পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে, ২২ ডিসেম্বর ২০২৪ ইং তারিখে সেখানে ডা: মোঃ মশিউর রহমান এর তত্ত্বাবধায়নে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে রোগীর হাতে একটি আল্ট্রাসনোগ্রাম রিপোর্ট ধরিয়ে দেওয়া হয়। সেই আল্ট্রাসনোগ্রাম রিপোর্টে সে জানতে পারে তার গর্ভে একটি বাচ্চা আছে। পরবর্তীতে আবার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রিপোর্টটা নিয়ে গেলে পরের দিন ২৩ ডিসেম্বর ২০২৪ ইং তারিখ দুপুর আনুমানিক ১২.০০ ঘটিকার সময় সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তার শরীরে অতিরিক্ত প্রেসার এবং শরীরে পানি জমার কারণে সিজার করেন। সিজার করে দেখা যায় তার গর্ভে দুটি বাচ্চা, একটি ছেলে ও একটি মেয়ে। সে যখন জানতে পারে তার গর্ভ থেকে একটি ছেলে ও একটি মেয়ে সন্তান জন্মগ্রহণ করেছে ঠিক তখনই ওই রুগীর ভাগিনা মুশফিক গণমাধ্যমকে জানান পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পরীক্ষা করে দেখা যায় একটি বাচ্চা এখন হঠাৎ দুইটি হলো কিভাবে। এ ব্যাপারে মৌখিক অভিযোগ পেয়ে পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ডা: মোঃ মশিউর রহমান এর সাথে কথা বললে তিনি জানান মানুষ মাত্রই ভুল হয়। তিনি আরও বলেন আমি অতটা খেয়াল করতে পারিনি তাই হয়তো রিপোর্ট ভুল এসেছে। এ নিয়ে আলোচনা সমালোচনার সৃষ্টি হয় রোগীদের মধ্যে নাম প্রকাশ করতে অনিচ্ছুক অনেকেই বলেন একটা স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান থেকে এরকম ভুল রিপোর্ট কেউ আশা করেননি। রোগ নির্ণয়ের নামে রোগীদের সঙ্গে প্রতারণা করছে এমন অভিযোগ অনেকের। এতে একদিকে রোগীরা যেমন আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন অন্যদিকে সঠিক চিকিৎসার অভাবে মৃত্যু ঝুঁকিতে পড়ছেন।
বগুড়া সিভিল সার্জন অফিসে এই ব্যাপারে জানতে চাইলে তারা জানান রোগীকে ভুল রিপোর্ট দেওয়ার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



ফেসবুকে আমরা
নোটিশ