সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১০:৩৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
সুখচর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ঘিরে আলোচনা; মোঃ সালাউদ্দিনকে নিয়ে স্থানীয়দের আগ্রহ ভুয়া ঠিকানায় চাকরি, নিয়োগ-বদলি বাণিজ্যের অভিযোগে আলোচনায় কারারক্ষী সুজন মিয়া—নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি সিডিএ কার্যালয়ের সামনের ফুটপাত দখলমুক্ত, কঠোর বার্তা চেয়ারম্যানের সিডিএ কার্যালয়ের সামনের ফুটপাত দখলমুক্ত, কঠোর বার্তা চেয়ারম্যানের চট্টগ্রামে র‍্যাবের অভিযানে পরিত্যক্ত বিদেশি রাইফেল উদ্ধার ঋণের চাপ সইতে না পেরে ঠাকুরগাঁওয়ে বৃদ্ধের আত্মহত্যার অভিযোগ গ্রেফতারের পরদিন চট্টগ্রাম কারাগারে হার্ট এ্যাটাকে যুবলীগ নেতার মৃত্যু ঝিনাইগাতীতে কৃষি পুনর্বাসন কর্মসূচির আওতায় কৃষকদের মাঝে উচ্চফলনশীল আমন, মরিচ বীজ ও সার বিতরণ ঝিনাইগাতীতে শিশু ইলিয়াছ হত্যা মামলার অন্যতম আসামি নাসির উদ্দিন র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার গোপালগঞ্জ সদর লঞ্চঘাট ব্রিজ এলাকা থেকে ১২ বছরের শিশু মোহাম্মদ আলী নিখোঁজ, সন্ধান চেয়ে পরিবারের আকুতি

সাতক্ষীরা উচ্চ আদালতের আদেশ না মানার অভিযোগ মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে

সাতক্ষীরা প্রতিনিধিঃসাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতের আদেশ উপেক্ষা করার অভিযোগ উঠেছে। আউট সোর্সিংয়ে নিয়োগপ্রাপ্ত ছয় সেবাকর্মীকে অবৈধভাবে ছাটাইয়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতের আদেশ উপেক্ষা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন ভূক্তভোগীরা।
অভিযোগ, ২০২২ সালের ২৯ জানুয়ারি কোন কারণ ছাড়াই সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের চার সেবাকর্মীকে ছাটাই করেন তৎকালীন অধ্যক্ষ ডা. রুহুল কুদ্দুস। ছাটাইয়ের পর নতুন করে চার জনকে নিয়োগ প্রদান করেন অধ্যক্ষ। এনিয়ে নুরজাহান, ইদ্রিস আলী, মেহেদী হাসান ও সাহেব আলী চার সেবাকর্মী অবৈধভাবে ছাটাইয়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে একটি রিট পিটিশন দাখিল করেন। যার নম্বর ৬৩০৩।
২০২২ সালের ৫ মে উচ্চ আদালত চার সেবাকর্মীদের ছাটাই ও নতুন নিয়োগ অবৈধ ঘোষনা করে রায় প্রধান করেন বিচারপতি আশফাকুল ইসলাম ও বিচারপতি মহিউদ্দিন শামীমের দ্বৈত বেঞ্চ । ছাটাই কৃত কর্মীদের পুনরায় নিয়োগের আদেশ দিয়ে মামলার রায় প্রদান করেন। আদেশের কপি উচ্চ আদালত কর্তৃক পাঠানো হয় সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজে।
উচ্চ আদালতের আদেশ অমান্য করেন তৎকালীন অধ্যক্ষ রুহুল কুদ্দুস ভূক্তভোগী চার সেবাকর্মীকে যোগদান করাননি। বর্তমান অধ্যক্ষ ডা. আরিফ আহম্মেদও গড়িমসি করে উচ্চ আদালতের বিষয়টি ঝুঁলিয়ে রেখেছেন।ভুক্তভোগী নুরজাহান বলেন, কলেজের পূর্বের ও বর্তমান অধ্যক্ষ আমাদের সঙ্গে অবিচার করছেন। আমাদেরকে নিয়োগ না দিয়ে দীর্ঘদিন টালবাহানা করছেন। স্বৈরাচার হাসিনার পতনের পরে নতুন বাংলাদেশে ন্যায় বিচার পাবো আশা করেছিলাম। কিন্তু বর্তমান অধ্যক্ষ ডা. আরিফ আহম্মেদও উচ্চ আদালতের আদেশ উপেক্ষা করে আমাদের নিয়োগ না দিয়ে নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছেন। যা সম্পূর্ণরুপে অবৈধ ও বেআইনী। দীর্ঘ চার বছর চাকুরি হারিয়ে আমরা মানবেতর জীবনযাপন করছি। এনিয়ে আমরা আবারও উচ্চ আদালতে যাবো।খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গেল ২২ মে ২৬ তারিখে নতুন করে আউট সোসিংয়ের মাধ্যমে ৪২জন সেবাকর্মী নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছেন অধ্যক্ষ ডা. আরিফ আহম্মেদ। অথচ পূর্বে উচ্চ আদালতের আদেশ থাকা চার সেবাকর্মীদের আজও যোগদান করানো হয়নি।এ বিষয়ে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. আরিফ আহমেদ বলেন, এ সংক্রান্ত কাগজপত্র আইনজীবীর কাছে পাঠানো হয়েছে। হাইকোর্ট যে নির্দেশনা দিবে সেটা মানবো এবং চার জনের পদ খালি রেখে নতুন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।ঘটনার বিষয়ে উচ্চ আদালতের আইনজীবী মোখলেছুর রহমান জানান, ৪ জনকে নিয়োগ না দিয়ে নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করায় আদালতের নির্দেশ অমান্য করা হয়েছে।



ফেসবুকে আমরা
নোটিশ