প্রেস বিজ্ঞপ্তি : বিভিন্ন সময়ে সংঘটিত চাঞ্চল্যকর অপরাধে জড়িত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে র্যাব জনগণের সুনাম অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায়, র্যাব-৮, সিপিসি-১, পটুয়াখালী ক্যাম্প এবং র্যাব-১, সিপিএসসি, গাজীপুর এর যৌথ আভিযানিক দল ২০ জুন ২০২৬ তারিখ রাত্রীবেলা গাজীপুর জেলার কাশিমপুর থানা অভিযান পরিচালনা করে পটুয়াখালী জেলার বাউফল থানার চাঞ্চল্যকর রবিন চন্দ্র হাওলাদার (৫৫) হত্যা মামলার পলাতক অভিযুক্ত রিপন চন্দ্র বেপারী (৩৮), পিতা-সুবল চন্দ্র বেপারী, সাং-কালাইয়া, থানা-বাউফল, জেলা-পটুয়াখালী’কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। মামলার এজাহারের বিবরণে জানা যায়, গত ০৩ জুন ২০২৬ তারিখ সকাল ০৭.৩০ ঘটিকায় বাউফল থানাধীন কালাইয়া ইউপি ৩নং ওয়ার্ডস্থ শ্রী শ্রী রাধা গৌবিন্দ মন্দিরের পশ্চিম পাশে ভিকটিম রবিন চন্দ্র হাওলাদার (৫৫) অভিযুক্ত রতন চন্দ্র বেপারীকে দেখতে পেয়ে বাড়ির উঠানের বৃষ্টির পানি নিস্কাশনের জন্য পাইপ কেনার টাকা চাইলে গ্রেফতারকৃত অভিযুক্ত রিপন চন্দ্র বেপারী’সহ অন্যান্ন অভিযুক্তরা একত্রিত হয়া ঝগড়াঝাটির এক পর্যায়ে ঘটনাস্থলের আশেপাশে থাকা লোহার রড, বটি, দা, লাঠিসোটা, হাতুড়ি, লোহার খুন্তি ও লোহার পাইপ দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে ভিকটিমের মাথায় আঘাত করে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে। ঘটনাস্থলে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে অভিযুক্তগণ পালিয়ে যায়। ভিকটিমকে গুরুতর রক্তাক্ত জখম অবস্থায় উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। বাউফল থানা পুলিশ ভিকটিম রবিন চন্দ্র হাওলাদার এর সুরতহাল প্রস্তুত করে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়না তদন্তের জন্য লাশ প্রেরণ করেন। উক্ত ঘটনায় ভিকটিমের ছেলে বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। উল্লেখ্য যে, নির্মম এই হত্যাকান্ডের পর থেকেই র্যাব-৮ ঘটনার ছায়া তদন্ত শুরু করে। অপরাধী অত্যন্ত চতুরতার সাথে এলাকা ত্যাগ করে আত্মগোপনে চলে যায় এবং তার অবস্থান পরিবর্তনের মাধ্যমে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে। কিন্তু র্যাব-৮, বরিশাল সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সাথে অপরাধীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারকৃত অভিযুক্তকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য গাজীপুর জেলার কাশিমপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়।