শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:১৪ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
আদমদীঘি থানার পুলিশ কনেষ্টবলের অবসর জনিত রাজকীয় দিয়ায় সংবর্ধনা আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সামনে রেখে ৩নং ভাঙ্গাবাড়ী ইউনিয়নে গণসংযোগ করেন চেয়ারম্যান পদ পার্থী জুপিটার তিস্তা মহাপরিকল্পনার পাইলট প্রকল্পের কাজ অল্প কিছুদিনের মধ্যেই শুরু হবে: পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী বাঁশখালীতে বন্যায় ১১ হাজার ঘর ক্ষতিগ্রস্ত, নতুন ঘর পাচ্ছে ১০০ পরিবার ঝিনাইগাতীতে বনের ভেতর ১৬ লাখ টাকার ভারতীয় মদ জব্দ তালায় বজ্রপাতে ব্যাবসায়ী নিহত শুকতাইল ইউনিয়নে চেয়ারম্যান রানা মোল্লার গাড়িবহর নিয়ে বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন, জনগণের সঙ্গে মতবিনিময় সৌদিআরবে ওমরাহ হজ্জে নতুন নিয়মে চারদেশ জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর❞ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তরুণ নেতৃত্বে সংগঠনকে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয়ে গোপালগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম

ফুলসজ্জিত গাড়িতে করে বাড়ি ফিরলেন পুলিশ সদস্য আবু হানিফ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : বরিশাল এয়ারপোর্ট থানায় ফুলসজ্জিত গাড়িবহর ও সহকর্মীদের ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে অবসরে গেলেন কনস্টেবল সৈয়দ আবু হানিফ। ১৪ জুন দীর্ঘ ৩৯ বছর ৬ মাস কর্মজীবন শেষ করে অবসরে যান তিনি।
আজ ১৮ জুন বিকালে অন্যরকম এক আয়োজনের মাধ্যমে তাকে বিদায় জানিয়েছেন এয়ারপোর্ট থানার ওসি জাকির সিকদারসহ থানা পুলিশের কর্মকর্তা-সদস্যরা।বিদায়ের আগে থানায় এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা শেষে পুলিশ সদস্য আবু হানিফ এর গলায় ফুলের মালা পরিয়ে দেওয়া হয়। এ সময় তার হাতে সম্মাননা স্মারক ও উপহার সামগ্রী তুলে দেন থানা পুলিশের সদস্যরা।শেষ মুহূর্তে ফুল দিয়ে সজ্জিত থানা পুলিশের গাড়িবহরের মাধ্যমে তাকে তারগ্রামের বাড়ি একই থানার মাধবপাশায় পৌঁছে দেওয়া হয়। বিদায়বেলায় এমন সম্মাননায় অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েন হানিফ।কনস্টেবল সৈয়দ আবু হানিফের বাড়ি বরিশাল বিমানবন্দর থানার মাধবপাশা ইউনিয়নের পাংশা এলাকায়। তিনি ১৯৮৫ সালে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে যোগ দেন। এর মধ্যে তিনি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চাকরি করেছেন। দীর্ঘ প্রায় ৪০ বছরের চাকরি জীবন শেষে এয়ারপোর্ট থানা থেকে তিনি অবসর গ্রহণ করেন।কনস্টেবল সৈয়দ আবু হানিফ বলেন, আমার সর্বস্ব দিয়ে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর সম্মান অক্ষুণ্ণ রেখে জনসাধারণের সেবা করেছি। অবসরকালে কর্মস্থল এয়ারপোর্ট থানার ওসি স্যার ও সব সহকর্মীরা সুন্দর একটি আয়োজনের মাধ্যমে আমাকে বিদায় দিয়েছেন। এতে গর্ববোধ করছি।ওসি জাকির সিকদার বলেন, আমরা একসঙ্গে থাকার স্মৃতিকে অন্তরে লালন করে একজন পুলিশ সদস্যকে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মাধ্যমে বিদায় দিতে পেরেছি। পুলিশের প্রত্যেক সদস্যকে অবসরকালে এভাবেই বিদায় দেওয়ার ব্যবস্থা চালু রাখা দরকার।



ফেসবুকে আমরা
নোটিশ