সজিব তালুকদার : ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জাহিদ কামাল নিজেই যেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। এই বলে সব সময় ফায়ার সার্ভিস অধিদপ্তরে মহাপরিচালক ও ডিজির স্টাফ অফিসার শামস আরমান এ কথা দাবি করে।তারা সব সময় সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করিয়া থাকে এই সিন্ডিকেট।
সিন্ডিকেট বলে আমরা কাকে কোন জায়গায় বদলি করব। সেটা আমাদের ব্যক্তিগত বিষয়।
আমাদের ডিজি স্যার কোন নরমাল ব্যক্তি না উনার অনেক ক্ষমতা। বর্তমান অন্তবর্তী সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার, উনি স্টাফ অফিসার ছিল স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে ডিজি যা বলে উপদেষ্টা সাথে সাথে তা বাস্তবায়ন করে।
পরিচালক ফায়ার সার্ভিস মোজাম্মেল হকের কাছে আমরা একটা তদবির করেছিলাম।
স্টাফ অফিসার পরিবর্তন করার জন্য।
মোজাম্মেল হক রাজী হননি। সাথে সাথে ডিজি স্যার আর পরিচালক অপারেশন তাজুল ইসলাম স্যার মিলে মোজাম্মেল হক স্যারকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা করতে সক্ষম হয়েছি। মোজাম্মেল হক উনার চেয়ে ফায়ার সার্ভিসে তো আর কোন বড় অফিসার নেই, বাকিগুলো তো ছায়া ব্যক্তি। অপরদিকে পরিচালক অপারেশন মেনটেনেন্স, তাজুল ইসলাম,উনি মামলার আসামি থাকা সত্ত্বেও ডিজির অনৈতিক কাজে সব সময় সহযোগিতা করতেছে। তাজুল ইসলাম নিজেও অনৈতিক কাজে লিপ্ত রয়েছেন।
সে সবসময় সকল কর্মকর্তা কর্মচারীকে বলে থাকেন,ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক, জাহিদ কামাল উনি আমার সাথে চাকরি করতো পূর্বে। আমি উনাকে পছন্দ করে ফায়ার সার্ভিসে নিয়ে আসছি।
আমার আপন ভগ্নিপতি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এজন্য। ফায়ার সার্ভিসের ডিজিকে আমি যা বলব উনি তা করতে বাধ্য। উনি আমার কথার বাহিরে যাবেন না।
ফায়ারের ডিজি জানে আমার অনেক ক্ষমতা আছে। বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সাথে আমার হাত আছে। আমি যাকে যখন ইচ্ছা করি তাকে সেই জায়গা থেকে সরিয়ে ফেলতে পারি। ডিজির সাথে আমার কন্টাক হয়েছে,আপনারা নিশ্চয়ই জানেন, আমি যখন ডিজির রুমে যায় ডিজি তখন কাউকে ঢুকতে দেয় না। লাল বাতি প্রদর্শন করা অবস্থায় থাকে। এসব কথা এই সিন্ডিকেট
ফায়ার সার্ভিসের নিরীহ লোক গুলাদেরকে বলে সব সময় আতঙ্কে রাখে । তারপরও তাজুল থেমে নাই। প্রশাসন শাখা থেকে বিভিন্ন দায়িত্ব কেড়ে নেয় ডিজির মাধ্যমে। সেটা তাজুল ইসলাম বাস্তবায়ন করেছে বলে স্বীকার করেছে। ফায়ার সার্ভিসের বিভিন্ন লোকদের কাছে। শুধু তাই নয় পরিচালক প্রশাসন অর্থ মোজাম্মেল হককে তাজুল ইসলাম আর ডিজির মিলে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার মাধ্যমে, তাকে ওএসডি তারা দাবি করেন
এই স্বৈরাচারীর সিন্ডিকেট। বর্তমানে ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বলেন,
শামস আরমান তাজুল ও ইসলাম পূর্বের বিজিবির মত আমাদেরকে জিম্মি করে রেখেছেন। আমাদের কোন ন্যায্য কথা বা যৌক্তিক দাবি কোন কিছুই বলতে দেয় না।
যখন আমরা কোন কিছু বলতে চাই, তখন আমাদেরকে বিভাগীয় মামলা, সাময়িক বরখাস্ত, ইনক্রিমেন্ট স্থগিত, বিনা বেতনের ছুটি, প্রশাসনিক বদলিসহ,বিভিন্ন রকমের হয়রানি করে। তাজুল ইসলামের পছন্দের অফিসারের মাধ্যমে, যেখানে বদলি করেন অধিদপ্তর, প্রশাসন শাখা।
সেখানে তাজুল ইসলাম নিজেই বদলির কমিটি করে ডিজির মাধ্যমে। তাজুল ইসলাম ও শামস আরমান এককভাবে রাজত্ব করতেছে ফায়ার সার্ভিসে। বিভিন্ন লাইসেন্সসহ সেফটি প্ল্যান , বহুতলভবন, ও বাণিজ্যিক ভবনের ছাড়পত্র। উনি নিজেই তার সিন্ডিকেটের মাধ্যমে কমিটি করে। এবং অগ্নিকাণ্ডের ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন শিল্প কারখানা,ফায়ার রিপোর্ট, আটকিয়ে রেখে
আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে অসহায় লোকদেরকে। এবং ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ফায়ার রিপোর্ট আটকে দিয়ে আর্থিকভাবে আরো ক্ষতিগ্রস্ত করে।এই স্বৈরাচারীর সিন্ডিকেট।এই দোসররা ছাত্র জনতার মহান উদ্দেশ্য কে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য। জুলাই আগস্ট গণঅভ্যুত্থান কে,কলঙ্কিত করার জন্য এই সিন্ডিকেট
এখনো দাপটে ঘাপটি মেরে রয়েছেন ফায়ার সার্ভিস অধিদপ্তরের। বিস্তারিত পরবর্তী পর্বে