মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ০২:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
বাগেরহাটের মোল্লারহাট থানার মানবপাচার দলের মূল হোতা আল আমিনকে র‌্যাব-৮ কর্তৃক গ্রেফতার। পীরগঞ্জে আগুন ও ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা, ২০ পরিবার পেল ঢেউটিন ও নগদ অর্থ চাঞ্চল্যকর ডাকাতি মামলার পলাতক ডাকাত দলের নেতা লিটনকে পটুয়াখালী থেকে গ্রেফতার করে র‌্যাব -৮। চাঁপাইনবাবগঞ্জে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের আয়োজনে মহান মে দিবস পালিত চাঁপাইনবাবগঞ্জে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান মে দিবস পালিত ঝিনাইগাতীতে ভ্রাম্যমাণ মৃত্তিকা ল্যাব ‘ব্রহ্মপুত্র’: মাটি পরীক্ষায় মিলছে সুষম সার ব্যবহারের দিকনির্দেশনা চট্টগ্রামে ৭০ লাখ টাকার বিদেশি মদ জব্দ মহানন্দা সেতু টোলমুক্ত করার দাবিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জে মানববন্ধন প্রেমঘটিত বিরোধে ঝিনাইগাতীতে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ: আহত ৩, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক ২ চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা: জনগণের কাছে ক্ষমা চাইলেন মেয়র শাহাদাত

পটুয়াখালীতে শিক্ষার্থী সিয়াম হত্যা প্রধান অভিযুক্তদের ১২ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করে র‍্যাব-৮

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখ পটুয়াখালী জেলার মির্জাগঞ্জ থানাধীন সুবিদখালী সরকারি কলেজের পাশে বালুর মাঠে নৃশংসভাবে ঢাকা রমিজউদ্দিন স্কুল এন্ড কলেজের এইচএসসি ১ম বর্ষের ছাত্র সাইমন ইসলাম সিয়াম (১৭) কে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। মামলার এজাহার থেকে জানা যায় যে, ভিকটিম সিয়াম গত ১৮ ডিসেম্বর ঢাকা থেকে পটুয়াখালীর মাদারবুনিয়ায় তাদের নানা বাড়িতে বেড়াতে আসে। গতকাল দুপুর আনুমানিক ১৫১৫ ঘটিকায় ভিকটিম ও তার খালাত ভাই আব্দুল্লাহ আল মামুন সুবিদখালী সরকারি কলেজের উত্তর পাশে বালুর মাঠে ঘুরতে গেলে সেখানে ওৎ পেতে থাকা একদল সন্ত্রাসী তাদের গতিরোধ করে। তাদের পরিচয় জানতে চেয়ে তর্কে লিপ্ত হয় এবং একপর্যায়ে লাঠি দিয়ে ভিকটিমের মাথায় ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে নির্মমভাবে আঘাত করে। মারধরের ফলে সিয়াম গুরুতর আহত হলে অভিযুক্তরা নিজেদের মোটরসাইকেলে করে তাকে মির্জাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। ১৫৪৫ ঘটিকায় কর্তব্যরত চিকিৎসক সিয়ামকে মৃত ঘোষণা করেন। তারা ভিকটিমের খালাত ভাই আব্দুল্লাহ আল মামুনকে পিটিয়ে আহত করে, যিনি শেরে-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি আছে। এই ঘটনায় ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে মির্জাগঞ্জ থানায় গতকাল রাতেই মামলা দায়ের করেন। ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখ দুপুরে নির্মম এই হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই র‌্যাব-৮ ঘটনার ছায়া তদন্ত শুরু করে। অপরাধীরা অত্যন্ত চতুরতার সাথে এলাকা ত্যাগ করে আত্মগোপনে চলে যায় এবং তাদের অবস্থান পরিবর্তনের মাধ্যমে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে। কিন্তু র‌্যাব-৮ ও র‌্যাব-১০ এর যৌথ চৌকস আভিযানিক দল তাৎক্ষণিকভাবে আধুনিক তথ্য-প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করে। আসামিরা পালানোর সব ধরনের চেষ্টা করা সত্ত্বেও তাদের পালানোর রুট এবং সম্ভাব্য সকল কৌশল নিখুঁতভাবে বিশ্লেষণ করে অভিযুক্তদের অবস্থান সনাক্ত করতে সক্ষম হয়। এই হত্যাকান্ডের ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। মির্জাগঞ্জ থানা পুলিশ এবং র‌্যাব-৮, বরিশাল এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের আইনের আওতায় নিয়ে আসতে তাৎক্ষণিকভাবে অভিযানে নামে। সম্মিলিত অভিযানে ঘটনার মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যে ঢাকার যাত্রাবাড়ির ধোলাই পাড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে উক্ত মামলার ০১ নং অভিযুক্ত মো: রাইয়ান, পিতা-আঃ সালাম, সাং-উত্তর সুবিদখালী এবং দ্বিতীয় অভিযুক্ত মো: রাশেদ, পিতা-মোঃ রফিকুল ইসলাম পিন্টু, সাং-ডিবুয়াপুর, উভয়ের থানা-মির্জাগঞ্জ, জেলা-পটুয়াখালী’কে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত অভিযুক্তদের আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন। র‌্যাব সবসময় সাধারণ মানুষের জানমাল রক্ষায় এবং সন্ত্রাসীদের দমনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই মামলার বাকি অভিযুক্তদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার ব্যাপারে র‍্যাব-৮ কাজ করে যাচ্ছে।



ফেসবুকে আমরা
নোটিশ