সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১২:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
সুখচর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ঘিরে আলোচনা; মোঃ সালাউদ্দিনকে নিয়ে স্থানীয়দের আগ্রহ ভুয়া ঠিকানায় চাকরি, নিয়োগ-বদলি বাণিজ্যের অভিযোগে আলোচনায় কারারক্ষী সুজন মিয়া—নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি সিডিএ কার্যালয়ের সামনের ফুটপাত দখলমুক্ত, কঠোর বার্তা চেয়ারম্যানের সিডিএ কার্যালয়ের সামনের ফুটপাত দখলমুক্ত, কঠোর বার্তা চেয়ারম্যানের চট্টগ্রামে র‍্যাবের অভিযানে পরিত্যক্ত বিদেশি রাইফেল উদ্ধার ঋণের চাপ সইতে না পেরে ঠাকুরগাঁওয়ে বৃদ্ধের আত্মহত্যার অভিযোগ গ্রেফতারের পরদিন চট্টগ্রাম কারাগারে হার্ট এ্যাটাকে যুবলীগ নেতার মৃত্যু ঝিনাইগাতীতে কৃষি পুনর্বাসন কর্মসূচির আওতায় কৃষকদের মাঝে উচ্চফলনশীল আমন, মরিচ বীজ ও সার বিতরণ ঝিনাইগাতীতে শিশু ইলিয়াছ হত্যা মামলার অন্যতম আসামি নাসির উদ্দিন র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার গোপালগঞ্জ সদর লঞ্চঘাট ব্রিজ এলাকা থেকে ১২ বছরের শিশু মোহাম্মদ আলী নিখোঁজ, সন্ধান চেয়ে পরিবারের আকুতি

তেরখাদায় তিন ব্যক্তি কারাগারে: ‘পূর্ব বিরোধের জেরে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে’— পরিবারের দাবি

তেরখাদা, খুলনা প্রতিনিধি : খুলনার তেরখাদা উপজেলার সাচিয়াদহ বাজার এলাকার বাসিন্দা মিজানুর মোল্লা, আমিনুর মোল্লা ও নাজিম উদ্দিন মোল্লা একটি মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। এ ঘটনায় তাদের পরিবার ও স্বজনরা দাবি করেছেন, দীর্ঘদিনের ব্যবসায়িক ও সামাজিক বিরোধের জের ধরে তাদের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বাদী মলিদা বেগম তার স্বামী মোঃ হুমায়ুন কবিরের ওপর সংঘটিত হামলার অভিযোগ এনে কয়েকজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, পূর্ব বিরোধের জেরে হামলার ঘটনা ঘটেছে এবং এতে তার স্বামী আহত হয়েছেন।
অন্যদিকে অভিযুক্তদের পরিবার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, ঘটনার প্রকৃত চিত্র ভিন্ন। তাদের দাবি, এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিরোধ চলমান থাকলেও সেটিকে কেন্দ্র করে একপাক্ষিক অভিযোগ এনে নিরীহ ব্যক্তিদের মামলায় জড়ানো হয়েছে।
পরিবারের সদস্যরা বলেন, “মিজানুর মোল্লা, আমিনুর মোল্লা ও নাজিম উদ্দিন মোল্লা সমাজে পরিচিত ব্যক্তি। তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। আমরা বিশ্বাস করি, নিরপেক্ষ তদন্ত হলে প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে এবং নির্দোষ ব্যক্তিরা ন্যায়বিচার পাবেন।”
এলাকাবাসীর একটি অংশও ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়ে বলেন, কোনো পক্ষের বক্তব্যের ভিত্তিতে নয়, বরং প্রকৃত তথ্য-প্রমাণ যাচাই করে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত।
বর্তমানে মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য ও সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতেই পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
উল্লেখ্য, আদালতের চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত মামলার আসামিরা আইনগতভাবে অভিযুক্ত মাত্র; তাদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ এখনও আদালতে প্রমাণিত হয়নি।



ফেসবুকে আমরা
নোটিশ