প্রেস বিজ্ঞপ্তি : র্যাব প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বিভিন্ন ধরণের অপরাধীদের গ্রেফতারের ক্ষেত্রে অগ্রনী ভূমিকা পালন করে আসছে। সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কয়েকটি চাঞ্চল্যকর হত্যার মত নেক্কারজনক ঘটনার সাথে জড়িত আসামীদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে আটক করে আইনের আওতায় এনে সাধারণ জনমনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে র্যাব। ভিকটিম মৃত মোঃ আল আমিন(৩০)পেশায় একজন রিক্সা চালক। ভিকটিমের স্ত্রী বরাতে জানা যায় যে, গত ২৯-০৯-২৪ ইং সকাল ০৭০০ ঘটিকায় মোঃ মামুন (৫৩), পিতা-মৃত গফ্ফার, সাং-০৭ নং পলাশপুর, থানা-কাউনিয়া, জেলা-বরিশাল তাকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর থেকে ভিকটিমের সাথে তার স্বজনদের কারোও কোন যোগাযোগ হয়নি। দুইদিন অতিবাহিত হলেও বাড়িতে না ফেরায় ভিকটিমের স্বজনেরা বিভিন্ন জায়গায় খোজাখোজি করতে থাকে। পরবর্তীতে, ০১/১০/২০২৫ তারিখ বিকাল অনুমান ১৬১০ ঘটিকার সময় বরিশালের কাউনিয়া থানাধীন পলাশপুর ০৭ নং গুচ্ছগ্রামে ডোবার মধ্যে একজন ব্যক্তির লাশ পাওয়া যায়। পুলিশ লাশটিকে উদ্ধার করে শেরে-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মর্গে নিয়ে যায়। উক্ত সংবাদ পেয়ে ভিকটিমের পরিবার লাশটিকে মোঃ রমজান মৃধার বলে সনাক্ত করে। উল্লেখিত ঘটনায় ভিকটিমের মা বেবী (৪৬) বাদী হয়ে বরিশাল জেলার কাউনিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।, মামলা নং-১, তারিখ ০৩/১০/২০২৪ ।থানার দায়িত্ব প্রাপ্ত তদন্তকারী কর্মকর্তা মামলাটি তদন্ত করে গ্রেফতারকৃত আসামী ১। মালেক (৪৫), ২। কাদের (৪০) সাংঃ ০৭ নং পলাশপুর, থানা- কাউনিয়া, জেলা-বরিশাল’দ্বয়ের উক্ত হত্যা কান্ডের ঘটনায় সম্পৃক্ততার বিষয়টি নিশ্চিত করে এবং আসামী গ্রেফতারের জন্য অধিনায়ক, র্যাব-৮ এ একটি অধিযাচন পত্র প্রেরণ করেন। এমতাবস্থায়, সদর কোম্পানী, র্যাব-৮ বরিশাল ছায়াতদন্ত ও গোয়েন্দা নজরদারি বৃ্দ্ধি করে র্যাব-৪, সিপিসি-২ এর সহায়তায় ঢাকা জেলার সাভার থানাধীন পূর্ব রাজাশন পুলু মার্কেট এলাকা হতে উক্ত আসামীদেরকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। আসামীদ্বয় দীর্ঘদিন যাবত পলাতক ছিল।
গ্রেফতারকৃত আসামীদেরকে ঢাকা মহানগরীর দারুস সালাম থানায় হস্তান্তর করা হয়।