বরিশাল ব্যুরো : বরিশাল উজিরপুর বামরাইল ইউনিয়নের সানুহার গ্রামে হামলা ভাঙচুর লুটপাটের ঘটনা ঘটছে।এ সময় নগদ ২ লক্ষ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায় আপন ভাই আওয়ামী লীগের কর্মী ও ইউপি সদস্য খোকন এবং তার ছেলে মাহবুব আলম সৈকত। রবিবার (৪ আগস্ট) রাত ১১ টায় সানুহার ৫ নং ওয়ার্ড হ্যাপি নিবাসে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগ ইকবাল হোসেন বাদী হয়ে বরিশাল সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালতে ১৮ জনের নামে অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেন। যাহার সি আর নং ৩৮৪/২০২৪ উজিরপুর। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে প্রাথমিক সত্যতা যাচাইয়ের জন্য অনুসন্ধান হওয়া প্রয়োজন মর্মে প্রতীয়মান হয়। এমতাবস্থায় নালিশি দরখাস্ত বর্ণিত ঘটনা প্রাথমিক সত্যতা নিরূপণ পূর্বক আসামিদের সংশ্লিষ্টতা সুনির্দিষ্ট বর্ণনা পূর্বক ফৌজদারি কার্যবিধি’র ২০২ ধারা অনুযায়ী ঘটনার বিষয় অনুসন্ধান করে প্রতিবেদন প্রদানের জন্য অফিসার ইনচার্জ উজিরপুর মডেল থানা কে নির্দেশ প্রদান করে। আগামী ১৭ অক্টোবরের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের সময় বেঁধে দেওয়া হয়। মামলায় অভিযুক্তরা হলেন, মাহফুজুল আলম সৈকত আপন ভাইয়ের ছেলে , আপন ভাই খোকন হাওলাদার, দুলাল হাওলাদার, কামরুল হাওলাদার, মোহাম্মদ জামাল, শারমিন বেগম, শারমিন শিলা, আবু সালে হাওলাদার, সাগর আকন, মামুন মৃধা,জালাল উদ্দিন গাজী ওরফে জালু গাজী, জসিম হাওলাদার, মেহেদী, সাইফুল ইসলাম, সাজেদুল করিম বাবলু, আক্তার, গোলাম মোর্শেদ শাওন, আল শাহরিয়ার সানি, সহ অজ্ঞত ১০-১৫ জন মিলে। আদালত এবং মামলার নথি,ভুক্তভোগীর অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সানুয়ার ৫ নং ওয়ার্ডের হ্যাপি নিবাসে ভুক্তভোগী ইকবাল হোসেন ও তার মাকে নিয়ে বসবাস করে ঘটনার দিন ৪ আগস্ট রবিবার রাত ১১ টায় অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হ্যাপি নিবাস একতলা বিশিষ্ট বসত ঘরের কেচি গেটের তালা গ্যাস দ্বারা কাটিয়া বাড়ির মধ্যে প্রবেশ করিয়া ইকবাল হোসেনের ঘরের সামনে থাকা জালানার থাইগেলাস এলোপাথালী পিটাইয়া, কুপাইয়া ভাঙচুর করে ৬০ হাজার টাকার ক্ষতি সাধন করে।ভুক্তভোগী ইকবাল হোসেন দরজা খুলিলে হামলাকারীরা ঘরের ভেতর প্রবেশ করিয়া ইকবাল হোসেনকে এলোপাথারী কিল ঘুষি চর থাপ্পর মারে। এ সময় মাহফুজুল আলম সৈকত হত্যার উদ্দেশ্যে ইকবাল হোসেনের গলা চেপে ধরে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা চালায় এবং সৈকত তার দাদির শাড়ির আচল গলায় পেচাইয়া শ্বাসরোধ করিয়া হত্যার চেষ্টা করে। এ সময় ঘরের আলমারিতে থাকা স্বর্ণের চেইন, কানের দুল, হাতের রুলি, আংটি প্রায় ৭ ভড়ি যাহার বাজার মূল্য অনুমানিক ৭ লক্ষ টাকা এবং দোকান ভাড়া বাবদ এডভান্সের ২ লক্ষ টাকা নিয়েযায় বলে মামলায় উল্লেখ করে। এ ঘটনায় উজিরপুর মডেল থানার পুলিশ ঘটনার স্থান পরিদর্শন করে।