বায়েজিদ হোসেন,বগুড়া জেলা :বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর) দুপুরে বগুড়া জেলা দায়রা জজ আদালত-২ এর বিচারক জালাল উদ্দিন এ রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
আসামির নাম চাঁন মিয়া। তিনি শাজাহানপুর উপজেলার মানিকদীপা পদ্মপাড়া এলাকার বাসিন্দা। কোর্ট ইন্সপেক্টর মোসাদ্দেক হোসেন প্রতিদিনের বাংলাদেশকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এজাহারের বরাতে তিনি জানান, ২০০৫ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর ভোর রাতে শোবার ঘরে চাঁন মিয়ার সঙ্গে তার স্ত্রী ফুলবানুর সঙ্গে ঝগড় হয়। একপর্যায়ে চাঁন মিয়া তার পরণে থাকা গেঞ্জি দিয়ে ফুলবানুর গলায় পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে। এরপর ফুলবানুর পরণে থাকা শাড়ি দিয়ে ঘরের তীরের সঙ্গে মরদেহ ঝুলিয়ে রেখে আত্মহত্যার নাটক সাজান।কোর্ট ইন্সপেক্টর মোসাদ্দেক হোসেন বলেন, এ ঘটনার পরের দিন পুলিশ চাঁন মিয়াকে গ্রেপ্তার করে এবং নিহত ফুলবানুর বাবা হত্যা মামলা করেন। এরপর আদালতে চাঁন মিয়া স্ত্রীকে হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। পরে শাজাহানপুর থানার তৎকালীন এসআই আব্দুর রাজ্জাক আসামি চাঁন মিয়াকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দেন। সেই চার্জশিট দাখিলের ১৯ বছর পর সকল কার্যক্রম শেষে আদালত আসামিকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন।