প্রেস বিজ্ঞপ্তি : র্যাব প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই খুন, ধর্ষন, ডাকাতি, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজি, মজুতদারি, মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িতদের গ্রেফতারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। গোয়েন্দা নজরদারী ও আভিযানিক কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় এ ধরনের অপরাধ নিয়ন্ত্রণে র্যাব ইতিমধ্যেই বিশেষ সফলতা অর্জনে সক্ষম হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায়, র্যাব-৮, সিপিএসসি, বরিশাল এবং র্যাব-৩, সিপিসি-১, শাহজাহানপুর, ঢাকা কর্তৃক যৌথ অভিযান পরিচালনা করে ০১ জুলাই ২০২৬ তারিখ বিকালে ঢাকা মহানগরীর হাতিরঝিল থানা এলাকা হতে পিরোজপুর সদর থানার চাঞ্চল্যকর ও ক্লুলেস হত্যা মামলার অন্যতম মূলহোতা মোঃ মাসুদ খান (৩৯), পিতা- মৃত মতিউর রহমান, সাং- ওদনকাঠি, থানা- পিরোজপুর সদর, জেলা- পিরোজপুর’কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। মামলার এজাহারের বিবরণে জানা যায়, গত ২০ মার্চ ২০২৫ তারিখ বিকাল আনুমানিক ০৫:৩০ ঘটিকার সময় পিরোজপুর সদর থানাধীন পৌরসভার রায়েরকাঠি গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে ভিকটিম সাব্বির সিকদার (২৬) তার ব্যাটারিচালিত রিক্সা নিয়ে বের হয়ে আর বাড়ি আসেনি। সম্ভাব্য সকল জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও ভিকটিমের পরিবার তার কোনো সন্ধান পায়নি। পরবর্তীতে, ২১ মার্চ ২০২৫ তারিখ সকাল আনুমানিক ০৯:০০ ঘটিকায় পিরোজপুর সদর থানাধীন টোনা ইউনিয়নের ০৭ নং ওয়ার্ডস্থ ওদনকাঠি গ্রামের জনৈক আনোয়ার হোসেন মাঝির কৃষি জমির উত্তর পাশে ইটের সলিং রাস্তার পাশ থেকে একটি পরিচয়হীন যুবকের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। সংবাদ পেয়ে ভিকটিমের পরিবার ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি সাব্বির সিকদারের বলে সনাক্ত করে। ভিকটিমের পরিবারের ধারনা, অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে লোহার হাতুড়ি দিয়ে ভিকটিমের মাথায় গুরুতর আঘাত করে নির্মমভাবে হত্যা করে ব্যাটারিচালিত রিক্সাটি ছিনতাই করে নিয়ে যায়। উক্ত ঘটনায় ভিকটিমের পিতা মোঃ হারুন সিকদার বাদী হয়ে পিরোজপুর সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। উক্ত হত্যাকান্ডের পর থেকেই র্যাব-৮, বরিশাল ঘটনার ছায়া তদন্ত শুরু করে। অপরাধী অত্যন্ত চতুরতার সাথে এলাকা ত্যাগ করে আত্মগোপনে চলে যায় এবং তার অবস্থান পরিবর্তনের মাধ্যমে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে। কিন্তু র্যাব-৮, বরিশাল সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সাথে, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এবং তথ্য প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারকৃত অভিযুক্তকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য ঢাকা মহানগরীর হাতিরঝিল থানায় হস্তান্তর করা হয়।