প্রেস বিজ্ঞপ্তি : র্যাব প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই খুন, ধর্ষন, ডাকাতি, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজি, মজুতদারি, মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িতদের গ্রেফতারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। গোয়েন্দা নজরদারী ও আভিযানিক কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় এ ধরনের অপরাধ নিয়ন্ত্রণে র্যাব ইতিমধ্যেই বিশেষ সফলতা অর্জনে সক্ষম হয়েছে।তারই ধারাবাহিকতায়, র্যাব-৮, সিপিসি-৩, মাদারীপুর ক্যাম্প ও র্যাব-১০, সিপিসি-১, যাত্রাবাড়ি, ঢাকা এর একটি যৌথ আভিযানিক দল ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখ রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকা জেলার গেন্ডারিয়া থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে শরীয়তপুরের গোসাইরহাটে ১৪ বছরের কিশোরিকে মুখে চেতনানাশক ওষুধ চেপে অজ্ঞান করে পানের বরজে নিয়ে ধর্ষণের ঘটনায় রুজুকৃত মামলার প্রধান অভিযুক্ত রায়হান তালুকদার (৩০), পিতা- আলাউদ্দিন ওরফে মনা তালুকদার, সাং-পূর্বের চর, থানা- গোসাইরহাট, জেলা- শরীয়তপুর‘কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
মামলার এজাহারের বিবরণে জানা যায়, ভিকটিম শরীয়তপুরের গোসাইরহাটে মামলার বাদীর পরিবারে গৃহকর্মীর কাজ করে। গত ২৮ আগস্ট ২০২৬ তারিখ সন্ধ্যা অনুমান ১৮.৩০ ঘটিকার সময় অভিযুক্ত রায়হান তালুকদার (৩০) টিস্যু দিয়ে ভিকটিমের মুখ চেপে ধরে পাশের পানের বরজে নিয়ে গিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে মামলার বাদীসহ স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় ভিকটিমকে উদ্ধার করে গোসাইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরবর্তীতে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় শরীয়তপুর সদর হাসাপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা করানো হয়। উক্ত ঘটনায় শরীয়তপুর জেলার গোসাইরহাট থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করা হয়।উল্লেখ্য যে, নির্মম এই ঘটনার পর থেকেই র্যাব-৮, সিপিসি-৩, মাদারীপুর ক্যাম্প ঘটনার ছায়া তদন্ত শুরু করে। অপরাধী অত্যন্ত চতুরতার সাথে এলাকা ত্যাগ করে আত্মগোপনে চলে যায় এবং তার অবস্থান পরিবর্তনের মাধ্যমে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে। কিন্তু, র্যাব-৮, সিপিসি-৩, মাদারীপুর ক্যাম্প সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সাথে, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এবং তথ্য প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারকৃত অভিযুক্তকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য ঢাকা মহানগরীর যাত্রাবাড়ী থানায় হস্তান্তর করা হয়।