প্রেস বিজ্ঞপ্তি : এসআরবি প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই খুন, ধর্ষন, ডাকাতিসহ সাজাপ্রাপ্ত আসামীদের গ্রেফতারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। গোয়েন্দা নজরদারী ও আভিযানিক কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় এ ধরনের অপরাধ নিয়ন্ত্রণে এসআরবি ইতিমধ্যেই বিশেষ সফলতা অর্জনে সক্ষম হয়েছে।তারই ধারাবাহিকতায়, এসআরবি-৮, সদর কোম্পানী, বরিশাল এবং এসআরবি-৬, সিপিসি-৩, যশোর এর একটি যৌথ চৌকস আভিযানিক দল ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখ বিকাল বেলা যশোর জেলার কোতয়ালী থানাধীন বারবাজার এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে সাইবার প্রতারণা মামলার অভিযুক্ত মোঃ রিয়াজুল ইসলাম (৩১), পিতা- মোঃ শহিদুল ইসলাম, সাং- দেবত্র, থানা- মঠবাড়িয়া, জেলা- পিরোজপুর’কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। মামলার এজাহারের বিবরণে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত অভিযুক্ত রিয়াজুল ইসলাম সহ অন্যান্যরা সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র হিসেবে Daraz অ্যাপস এর নামে সাইবার স্পেসে ফিশিং লিংক ব্যবহার করে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অভিনব কৌশলে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করে আসছিল। এক পর্যায়ে উক্ত চক্রটি মামলার বাদী ভিকটিম মোছাঃ সুমনা পারভীন (৪৫), কে http://Daraz.com এর নামে একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে এড করে। সেখানে ভিকটিমকে অনলাইন প্লাটফর্মে প্রোডাক্ট ক্রয়ের মাধ্যমেখ শতকরা হারে লোভনীয় কমিশনের প্রলোভন দেখানো হয়, যা ভিকটিমের রেজিস্ট্রিকৃত অ্যাপস একাউন্টের ওয়ালেটে জমা হতো। কিন্ত ভিকটিম উক্ত টাকা উত্তোলন করতে গেলে প্রতারক চক্র টাকা উত্তোলনের শর্ত হিসেবে তাদের ব্যাংক একাউন্টে টাকা প্রেরণের প্রস্তাব দেয়। ভিকটিম বিভিন্ন সময়ে ধাপে ধাপে তাদের ব্যবহৃত বিকাশ নম্বর এবং ডাচ-বাংলা ব্যাংক হিসাব নং- এ সর্বমোট ৬,১০,০৪২/- (ছয় লক্ষ দশ হাজার বিয়াল্লিশ) টাকা প্রদান করেন। পরবর্তীতে ভিকটিম বিজ্ঞ সাইবার ট্রাইব্যুনাল, বরিশালে পিটিশন কেস দায়ের করেন। পরবর্তীতে, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তদন্তকালে তদন্তেপ্রাপ্ত গ্রেফতারকৃত অভিযুক্তকে গ্রেফতারের নিমিত্তে অধিনায়ক, এসআরবি-৮, বরিশাল বরাবর একটি অধিযাচন পত্র প্রেরণ করেন। সেপ্রেক্ষিতে এসআরবি-৮, সদর কোম্পানী, বরিশাল এবং এসআরবি-৬, সিপিসি-৩, যশোর এর একটি চৌকস আভিযানিক দল কর্তৃক অভিযুক্তের অবস্থান নিশ্চিত হয়ে যৌথ অভিযান পরিচালনা করে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারকৃত অভিযুক্তকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য যশোর জেলার কোতয়ালী থানায় হস্তান্তর করা হয়।