প্রেস বিজ্ঞপ্তি : র্যাব প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই খুন, ধর্ষন, ডাকাতি, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজি, মজুতদারি, মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িতদের গ্রেফতারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। গোয়েন্দা নজরদারী ও আভিযানিক কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় এ ধরনের অপরাধ নিয়ন্ত্রণে র্যাীব ইতিমধ্যেই বিশেষ সফলতা অর্জনে সক্ষম হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায়, র্যাব-৮, সদর কোম্পানী, বরিশাল এর একটি চৌকস আভিযানিক দল ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখ দুপুরে বরিশাল জেলার উজিরপুর থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ডাকাতি, অস্ত্র, মাদকসহ ১৪ মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক ও বরিশাল মহানগরীর কাউনিয়া থানার পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় ৭ (সাত) বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামী সরোয়ার হোসেন জনি @ মনু (৩৩), পিতা- মৃত মনোয়ার হোসেন, সাং- জোড় মসজিদ সংলগ্ন হাওলাদার সড়ক, থানা- কাউনিয়া, জেলা- বরিশাল‘ কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।গ্রেফতারকৃত আসামী সরোয়ার হোসেন জনি @ মনু এর বিরুদ্ধে বরিশাল মহানগরীর কাউনিয়া থানায় ২০২০ সালে মামলা হয়, পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১২ এর যার জিআর নং- ১৩/২০, ধারা- ৮(১)। বিজ্ঞ আদালতে মামলাটি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত আসামীকে ৭ (সাত) বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০,০০০/- (পঞ্চাশ হাজার) টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ০১ (এক) বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। আসামী দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকায় বিজ্ঞ আদালত তার বিরুদ্ধে একটি গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করেন। পরোয়ানাটি বরিশাল মহানগরীর কাউনিয়া থানায় জারি আছে। উক্ত গ্রেফতারি পরোয়ানা তামিলকারী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা আসামীকে গ্রেফতারের নিমিত্তে অধিনায়ক, র্যাব-৮, বরিশাল বরাবর একটি অধিযাচনপত্র প্রেরণ করেন। এরই প্রেক্ষিতে র্যাব-৮, বরিশাল সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সাথে, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এবং তথ্য প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করে আসামীর অবস্থান নিশ্চিতপূর্বক অভিযান পরিচালনা করে আসামীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারকৃত আসামীকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বরিশাল মহানগরীর কাউনিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়।