বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৫৮ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
যবিপ্রবিতে আন্তঃবিভাগ ফুটবল প্রতিযোগিতার ট্রফি উন্মোচন ও ফিক্সচার ড্র সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জে নৌযান শ্রমিক ও ব্যবসায়িদের ন্যায্য দাবী আদায়ে নির্বাহী অফিসারের সাথে সমস্যা সমাধানে মতবিনিময় সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জে বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃক অতিরিক্ত টোল আদায় বন্ধের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতার জামাতা এখন বর্তমান বিআরটিসির চেয়ারম্যান! তার মাসিক মাসোয়ারা ৩ কোটি ৩৬ লক্ষ টাকা গোপালগঞ্জের ঘোষেরচরে বিডি এস রেকর্ডে জমি নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা, পৈতৃক সম্পত্তি ফিরে পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা ওসি মো: মনিরুজ্জামান বদলী জনিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত বানারীপাড়ায় সাবেক কাউন্সিলরের ভাইয়ের মৃত্যু নিয়ে “রহস্য” পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে প্রথম সার্ভিস চার্জ বিহীন ডিজিটাল অটোমেশন পেমেন্ট পদ্ধতি চালু করল যবিপ্রবি বরিশালের গৌরনদী থানার চাঞ্চল্যকর ধর্ষণ মামলায় যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড প্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামী আফজালকে গ্রেফতার করেছে এসআরবি-৮, বরিশাল Daraz অ্যাপসের নামে ফিশিং লিংক ব্যবহার করে চাকরি দেওয়ার প্রলোভনে লক্ষাধিক টাকা আত্মসাৎকারী প্রতারণা চক্রের মূলহোতা মোঃ রিয়াজুল ইসলাম’কে গ্রেফতার করেছে এসআরবি-৮, বরিশাল

আওয়ামী নির্যাতনে আজো বাড়ি ছাড়া দশানী বড় চিতলার বিএনপি কর্মী রফিকুল

মালিকুজ্জামান কাকা : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির একজন সাধারণ কর্মী রফিকুল ইসলাম। কিন্তু সেই সাধারণ কর্মীর উপর একের পর এক অমানুসিক নির্যাতন করেছে আওয়ামীলীগের আঞ্চলিক পেটুয়া সন্ত্রাসী বাহিনী। এসব ঘটনা যশোর জেলার মনিরামপুর উপজেলার ৮নং হরিহরনগর ইউনিয়ন পরিষদের ৩নং ওয়ার্ড দশানী বড় চিতলা গ্রামের। এখনো বিএনপি কর্মী রফিকুল কে শহরে থাকতে হয়। সেখানে সে রাজমিস্ত্রি পেশায় আয় করে অতি কষ্টে সংসার পরিচালনা করতে হয়। সংসারে স্ত্রী ছাড়াও এক পুত্র ও কন্যা রয়েছে তার। সংসার চালানোর সাথে সাথে তাদের শিক্ষা খরচও বইতে হচ্ছে রফিকুল কে।২০২৩ সালে ২৬ রমজানে ইফতারের পূর্বে মুক্তারপুর বাওড়ে চাকুরী দেবার কথা বলে রফিকুল কে ডেকে নিয়ে যায় মুক্তারপুর গজালমারীর সাদের ফকিরের ছেলে যুবলীগ নেতা মোহর আলী ফকির। বাসায় ডেকে ৯/১০ জন রফিকুলকে মারধোর করে। এসময় মোহর আলীর ছেলে বিশেষ বাহিনীর সদস্য ছুটিতে বাড়ি থাকা সজল বড় রাম দা দিয়ে মাথায় কোপ মারে।
এরপর শহর আলীর ছেলে আলমগীর, মোহর আলী, কায়েমকোলা গ্রামের মোহরের দুই ভাগ্নে, আরিফের ছেলে সোহাগসহ বহিরাগত সন্ত্রাসীরা শাবল, লোহার রড দিয়ে রফিকুল কে মারাত্মক জখম করে। এই অপকর্মের মাস্টার মাইন্ড বড় চিতলা গ্রামের আওয়ামীলীগ নেতা শহিদুলের ছেলে ছাত্রলীগ নেতা সাইফুল ও দশানীর লিয়াকতের ছেলে আলমগীর। আলমগীর দশানী নানা বাড়ি থাকে। এদের সাথে ওতপ্রত জড়িত ছিল মোহর আলীর ডান হাত হিসাবে কুখ্যাতি পাওয়া দশানীর বেলায়েত ওরফে রেজাউল। সে চিন্নিত মাদক কারবারি বলে গ্রামবাসী অভিযোগ করেছে।এত বড় আর লোমহর্ষক ঘটনা ঘটালেও মনিরামপুর থানা মামলা নেয়নি। জনশ্রুতি আছে রফিকুল আহত হলে শতাধিক জনতা থানায় এই মর্মে স্বাক্ষ দেয় যে রফিকুল ভাল ছেলে। কিন্তু থানা মামলা নেয়নি। এমনকি যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল ইস্যুতে পিবিআই সুপারিশ করলেও ওসি মামলা বা অভিযোগ গ্রহণ করেননি। পরে ঝাঁপা পুলিশ ফাঁড়িতে রফিকুলের স্বজনরা। কিন্তু হরিহরনগর ইউপি চেয়ারম্যান আওয়ামীলীগ নেতা জোহর সাত লাখ টাকা অবৈধ লেনদেন করে মামলা রেকর্ড ঠেকিয়ে দেয় বলে জোর অভিযোগ রয়েছে।
দশানী বড় চিতলা গ্রামবাসী অভিযোগ করেছে রফিকুলের মামলা রেকর্ড না করতে মুল ভূমিকা রাখে মনিরামপুর উপজেলা চেয়ারম্যান লাভলু। তিঁনিই পেছন থেকে কল কাঠি নাড়ে যাতে মামলা না হয়। বিষয়টিকে আওয়ামীলীগ বিএনপি রূপ দেন তিনি। মোবাইলে এখনো হুমকি দেয় মোহর আলী, মোহরের ভাইপো আলমগীর (পিতা শহর আলী )।ভুক্তভুগি রফিকুল ইসলাম (৪৪) বলেন প্রাণ ভয়ে তিনি এখনো বাড়ি ফিরতে পারছেন না। মোহর আলী, মোহর আলীর ছেলে ও তার ভাইপো আলমগীর এখনো মোবাইল ফোনে ও লোক মারফত হুমকি দিয়েই চলেছে। এই এপ্রিলেও তারা লোক দিয়ে রফিকুল কে হুমকি দিয়েছে।

ফটোকার্ড বানান



ফেসবুকে আমরা
নোটিশ