সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২৮ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
উজিরপুরে যুবদল কর্মী কাওসার হত্যাকান্ডে দুই আসামীর বাড়িতে অগ্নিসংযোগ গোপালগঞ্জে পুলিশের ওপর হামলা, সরকারি গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ ৫০-৬০ জনের বিরুদ্ধে এজাহার দায়ের প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ গোপালগঞ্জ এসএম মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি অনিয়মের অভিযোগ, লাখ টাকা লেনদেনের দাবি শারদীয় দুর্গাপূজার মহানবমী উপলক্ষ্যে রংপুরের ঐতিহাসিক ধর্মসভা পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গোপালগঞ্জ প্রেসক্লাবে দৈনিক কালবেলার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন সাংবাদিকদের মিলনমেলা দক্ষিণ বঙ্গের সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান পরিবহন সাকুরা ! দেখলেই জনমনে আতঙ্ক মাদকবিরোধী অভিযানে বরিশালে পুলিশ সদস্যসহ আটক ৪ গোপালগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে রিয়াজ উদ্দিন লিপ্টনের প্রার্থিতা ঘোষণা ডিজিটাল পৌরসভা গড়ার পরিকল্পনা ​আজ বিশ্ব শিক্ষক দিবসে শিক্ষার্থী শাশ্বতি ইসলাম সুষমার স্মৃতিচারণ

উজিরপুরে যুবদল কর্মী কাওসার হত্যাকান্ডে দুই আসামীর বাড়িতে অগ্নিসংযোগ

উজিরপুরে যুবদল কর্মী কাওসার হত্যাকান্ডে দুই আসামীর বাড়িতে অগ্নিসংযোগ

বরিশাল ব্যুরো : বরিশালের উজিরপুরের সাতলায় যুবদল কর্মী কাওসার হাওলাদারকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যার জেরে দুই আসামির বাড়িতে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার (২৪ অক্টোবর) সন্ধ্যার পর উপজেলার সাতলা ইউনিয়নের আলামদী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এই দুই বাড়ি হচ্ছে সাতলা ইউনিয়নের আলামদী গ্রামের খালপাড় বড় ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় হত্যা মামলার ১ নম্বর আসামি সজল মোল্লার বাড়ি এবং ভরচ্ছন্ন এলাকায় নান্না মোল্লার বাড়ি। স্থানীয় বাসিন্দা কামাল হাওলাদার বলেন, আগুন দেওয়ার খবরে ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে পৌঁছেছে। উজিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রকিবুল ইসলাম এ তথ্য স্বীকার করে জানান, তিনি ঘটনাস্থলে আছেন। একটি টিনের ঘরে আগুন দেওয়া হয়েছে। সেখানে ফায়ার সার্ভিস যাওয়ার সুযোগ নেই। টিনের ঘর পুড়ে এখন আগুন নিয়ন্ত্রণে। আরও একটি ঘরে আগুন দেওয়া হয়েছে বলে শুনেছেন। কাওসার হত্যার আসামিদের বাড়িতে এ আগুনের ঘটনা ঘটেছে। সম্ভবত সন্ধ্যার পরে এ ঘটনা ঘটে। তবে কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তা শনাক্ত করা যায়নি। এদিকে শনিবার এশার নামাজবাদ জানাজা শেষে কাওসারের মরদেহ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। গতকাল শুক্রবার রাতে উজিরপুর উপজেলার প্রত্যন্ত পশ্চিম সাতলায় কাওসার হাওলাদারকে (৩২) নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। পুলিশ মাইক্রোবাসসহ ৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। হত্যাকান্ড ঘটিয়ে ঢাকায় পালিয়ে যাওয়ার সময় শুক্রবার রাতেই উজিরপুর মডেল থানা পুলিশ প্রযুক্তির সহয়তায় পদ্মা সেতু টোল প্লজা এলাকায় ওই ৯ জনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন উজিরপুর উপজেলার আলামদী গ্রামের ফরিদ মোল্লার পুত্র সজল মোল্লা, শামীম মোল্লা , মোবারক মোল্লার পুত্র তরিকুল ইসলাম, মুলাদী থানার দড়িচর গ্রামের মনির হোসেনের পুত্র সোহাগ গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী থানার জাহিদ শেখের পুত্র সাগর শেখ ,গেপালগঞ্জের ভুমদিয়া গ্রামের হাচান শেখের পুত্র হাসিব শেখ ও হাবিব শেখ,বরগুনা জেলার পাথরঘাটার মানিক খালী গ্রামের মালেক হাওলাদারের পুত্র মাহাবুবুর রহমান,ভোলার বোরহানউদ্দিন থানার বাটামারা গ্রামের লোকমান হাকিমের পুত্র শরীফ হোসেন। এসময় তাদের কাছ থেকে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। শনিবার নিহতের মেজ ভাই মোস্তফা হাওলাদার বাদী হয়ে উজিরপুর মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। প্রসঙ্গত,শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৯ টার দিকে ঢাকা ও বরিশাল থেকে মাইক্রোবাস এবং তিনটি মোটরসাইকেলে সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা এসে উপজেলার সাতলা-কান্দি সড়কের উজিরপুর- কোটালীপাড়া সীমান্ত এলাকায় একটি ব্রিজের ওপর যুবদল কর্মী কাওসার হাওলাদার ও ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি রাশেদ আমিনের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীদের হাত থেকে বাঁচতে তারা ব্রিজের ওপর থেকে পানিতে ঝাঁপ দেন। পরে তারা পাশের হাবিব হাওলাদার নামের একজনের বাড়িতে আশ্রয় নেন। এ সময় ১৫- ২০ জনের একটি সশস্ত্র দল তাদের ধাওয়া করে ওই বাড়িতে গিয়ে ঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে খাটের নিচ থেকে বের করে কাওছার হাওলাদারকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। দরজার আড়ালে লুকিয়ে প্রাণে বেঁচে যান রাশেদ।
পরে স্থানীয়রা আহত দুজনকে উদ্ধার করে কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক কাওসার হাওলাদারকে মৃত ঘোষণা করেন।

ফটোকার্ড বানান



ফেসবুকে আমরা
নোটিশ